সায়ন্তিকা-রায়াতের পর ১০ জুন উপনির্বাচনে জয়ী ৪ তৃণমূল বিধায়কের শপথ নিয়ে ফের জটিলতার সৃষ্টি হলো। রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রেই— বাগদা, মানিকতলা, বনগাঁ এবং রানাঘাটে উপ নির্বাচনের জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থী। এরপর বিধানসভা থেকে রাজভবনে চিঠি পাঠানো হয় এই বিধায়কদের শপথ গ্রহণের জন্য। এবার এই চিঠির পাল্টা চিঠি পাঠানো হলো রাজ্যপালের তরফে।



এর আগে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রায়াত হোসেনের শপথ গ্রহণ দীর্ঘ একমাস টালবাহানার পর অবশেষে সম্পন্ন হয়েছিল। এবার ফের একবার এই জটিলতার মুখোমুখি হতে চলেছে রাজ্যের উপনির্বাচনের জয়ী ৪ বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী, কৃষ্ণ কল্যাণী, মধুপর্ণা ঠাকুর এবং সুপ্তি পাণ্ডের । ফল ঘোষণার পর নিয়ম মেনেই রাজ্যের পরিষদীয় দল ও বিধানসভার পক্ষ থেকে একটি করে চিঠি পাঠানো হয় রাজভবনে। এই দুটো চিঠিতে রাজ্যপাল কে অনুরোধ করা হয় বিধানসভায় এসে এই চার বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করানোর জন্য।

এরপরেই বৃহস্পতিবার রাতে রাজভবনের তরফে একটি চিঠি পাঠানো হয় বিধানসভায়। যেখানে স্পষ্ট ভাবে তিনি জানতে চেয়েছেন যে এর আগে দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ তার দায়িত্ব দেওয়া বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার করিয়েছেন কিনা। এরপরে তিনি জানতে চেয়েছেন তাকে চিঠিতে কেন বিধানসভায় এসে শপথ বাক্য পাঠ করাতে বলা হয়েছে অথবা অধ্যক্ষের উপর দায়িত্ব দিতে বলা হয়েছে।


অন্যদিকে বিধানসভা সূত্রের খবর, শুক্রবারই রাজ্যপালের সেই চিঠির জবাব দেওয়া হয়েছে।
যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আগের তুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডেকে করা হয়েছে। রাজ্যপালের নির্দেশ মতোই প্রথমে ডেপুটি স্পিকার কে শপথ বাক্য পাঠ করানোর অনুরোধ করা হয় কিন্তু তিনি রাজি না হয়ে সেই দায়িত্ব স্পিকারের উপর দিয়ে দেন এরপরেই ওই দুই বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করায় স্পিকার।
৪ বিধায়কের শপথ গ্রহণেও ফের শুরু জটলা, বিধানসভার চিঠির পাল্টা চিঠি রাজ্যপালের

সূত্রের খবর, সোমবার থেকে বিধানসভার অধিবেশন শুরু হয়ে যাচ্ছে। তার আগে এই চার বিধায়কের শপথ গ্রহণ না হলে নিয়ে বিধায়ক হিসেবে জয়ী প্রার্থীরা বিধানসভার অধিবেশনে আসতে পারেন না। তাই বিধানসভার পক্ষ থেকে স্থির করা হয়েছে আগামী ২৩ শে জুলাই এই চার বিধায়কের শপথ গ্রহণ করানো হবে। এখন দেখার বিষয় আগামী সোমবারের মধ্যে রাজ্যপালের তরফে এই শপথ গ্রহণ সংক্রান্ত কোন চিঠি আসে কিনা। নাকি ফের শপথ গ্রহণ নিয়ে জটিলতার মুখে পড়তে হবে এই চার বিধায়ককে।







