একদিকে সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে যখন চারিদিক তোলপাড়। সেইসময়ে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় আরও এক চাঞ্চল্যকর ইস্যু। মাটি চাপা পড়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে বিএসএফের দিকে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose at Chopra)। ইতিমধ্যেই বিএসএফের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি।



আরও পড়ুন: লোকসভার আগে সন্দেশখালিকে হাতিয়ার করছে বিরোধীরা! মুখ খুললেন তারকা-বিধায়ক জুন
দার্জিলিং মেলে করে মঙ্গলবার সকালে কিশনগঞ্জে এসে পৌঁছান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরপর সড়কপথে ইসলামপুরে একটি সার্কিট হাউজে আসেন তিনি। এদিন দুপুরে সেখান থেকে চেতনাগাছে যান বোস। মৃত শিশুদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজ্যপাল। চোপড়ার ঘটনা নিয়ে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। ওই দলে ছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সিভি আনন্দ বোসকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার অনুরোধ করেন তাঁরা। এরপরই রাজভবনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, সব ঠিক থাকলে মঙ্গলবারই চোপড়া যাবেন রাজ্যপাল। সেইমতই আজ ঘটনাস্থলে আসলেন বোস।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার রাস্তার নীচে ছোট নিকাশি নালা সম্প্রসারণের কাজ চলছিল। বিএসএফের অধীনস্থ ‘নো ম্যানস ল্যান্ডে’ কেন্দ্রের সিপিডব্লিউডি জেসিবি দিয়ে মাটি তোলার কাজ চলছিল। আচমকাই নালার মাটি ধসে চার শিশুর মৃত্যু হয়। মৃত শিশুদের বয়স ৬ থেকে ১২ বছর। মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই বিক্ষোভ শুরু করেছে এলাকাবাসীরা। বিএসএফ-কে কাঠগড়ায় তুলে ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়।


শিশুমৃত্যুতে উত্তপ্ত চোপড়া, BSF-এর থেকে রিপোর্ট চেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেন রাজ্যপাল

শিশু মৃত্যুর দায় বিএসএফের উপরেই চাপায় তৃণমূল। কড়া শাস্তির দাবি জানান দলের সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘বিএসএফের উদাসীনতায় এ ঘটনা শিশুদের জীবন্ত কবর বলা যেতে পারে।’







