চীনের উহান শহরে প্রথম যে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছিল, সেই ভাইরাস এখন আর নেই। ডেল্টা আর বেটা ভ্যারিয়েন্ট তাকে হটিয়ে দিয়েছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে মিউটেশন ছিল ১০টি আর বেটায় ৬টি। আর ওমিক্রনের 'ইউনিক' মিউটেশনের সংখ্যা এর অনেক বেশি।
আজকের বুলেটিন অনুযায়ী রাজ্য জুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬২৭ জন, যা নিয়ে মোট সুস্থতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৪। এদিন করোনা ভাইরাসের টেস্ট হয়েছে ৪০ হাজার ২৩১। ওমিক্রন আতঙ্কের মাঝে স্বস্তি বাংলায়, ক্রমশ নিম্নমুখী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
দক্ষিণ বঙ্গের পাশাপাশি উত্তর বঙ্গেও থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। এদিন দার্জিলিং জেলাতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন। যা নিয়ে আজ ১৫ জন সক্রিয় আক্রান্ত বেড়েছে এই জেলায়। ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে এক জনের। দার্জিলিং জেলায় এখন পর্যন্ত কোভিডে আক্রান্ত হয়ে ৫৪৫ জন মারা গিয়েছেন।
যে যে জায়গায় মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে সেই এলাকায় বসছে পুলিশ পিকেটিং। থাকছে কঠোর কোভিড বিধি। বিনা কারনে ঘরের বাইরে বেরলেই খেতে হবে পুলিশের তাড়া। হোটেল বা খাওয়ারের দোকান বন্ধ করতে হবে রাত ১০ তাঁর মধ্যে।
এখন পর্যন্ত মোট করোনা টেস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮৯ লক্ষ ২৮ হাজার ১৮৯ টি। এখন রাজ্যে করোনা সুস্থতার হার ৯৮.৩০ শতাংশ। যা ক্রমাগত কমছে পুজোর পর থেকে। অন্যদিকে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডবল ডোজ প্রাপকদের করোনা ভাইরাসে সংমক্রমিত হওয়া।
পুরসভা জানাল কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৪৪৯, স্বাস্থ্য দফতর বলছে ২৬৮! কিন্তু কেন হিসেবে গরমিল হচ্ছে? স্বাস্থ্য দফতরের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কলকাতার আশেপাশের জেলাগুলি থেকে অনেকে নিজেদের ঠিকানা দিচ্ছেন কলকাতা বলেই।
দুর্গাপুজোর পর হুহু করে বাড়তে শুরু করেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কলকাতার অবস্থা সব থেকে সংকটজনক। চিকিৎসকরা সব থেকে বেশি উদবিঘ্ন দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে নেওয়া ব্যাক্তিদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দেখে।