সপ্তাহ জুড়ে দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি বেড়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যা। যা ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। কোভিডবিধি এড়িয়ে চলা এবং বুস্টার ডোজে অনীহাই যে চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী, তা বারবার জানাচ্ছেন তাঁরা। যদিও আমজনতার হুঁশ ফেরেনি। এখনও অনেকেই বিনা মাস্কে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। চিকিৎসকদের আবেদন, কিছু না পালন করলেও অন্তত মাস্ক পরুন।
দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি বেড়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যা। যা ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। কোভিডবিধি এড়িয়ে চলা এবং বুস্টার ডোজে অনীহাই যে চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী, তা বারবার জানাচ্ছেন তাঁরা। যদিও আমজনতার হুঁশ ফেরেনি। এখনও অনেকেই বিনা মাস্কে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
ওনারা কিছু বলছেন না দেখে আমি জেনিথের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে গেলাম কিন্তু উনি ছিলেন না। ওনাকে না পেয়ে আমি ফ্লোর ম্যানেজারের কাছে গেলাম। উনিও সেভাবে গুরুত্ব দিতে নারাজ। আমি জানিনা টিকাকর্মীর নাম এমন কাউকে দেওয়া যায় কিনা যিনি আদৌ টিকা দেননি। আরেকটি বিষয় হলো যেখানে টিকাদান চলছিল সেখানে সিসিটিভি ছিল ফলে সেটা দেখলেই পরিষ্কার হবে যে টিকা দিচ্ছেন একজন পুরুষ আর টিকাকর্মীর নাম মহিলার নামে।
বর্তমানে দেশের সক্রিয় রোগী বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৬০২। গোটা দেশে একটিভ কেসের হার ০.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, ভারতে একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৭। দেশে বেড়েছে সংক্রমণের হারও। ধীর গতিতে বাড়তে বাড়তেই বর্তমানে তা ৩.৩৫ শতাংশ।
আজ কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। আজ দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলাতে ১৩১ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।
রাজ্য সরকার প্রদত্ত বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৫৭ হাজার ৮৫ টি কোভিড টেস্ট হয়েছে। যা নিয়ে এখন পর্যন্ত সার্বিক টেস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩১ লক্ষ ৮৩ হাজার ২৪২। আজকের তথ্য বলছে, ৩২ থেকে ৬ শতাংশে নামল পজিটিভিটি রেট।
WHO-এর টেকনিক্যাল প্রধান, ডঃ মারিয়া খেরকোভ বলছেন, "কোভিড কবে পৃথিবী থেকে চলে যাবে, তা নির্ভর করছে আমাদের উপর। এটা ঠিক যে আমাদের সারাজীবন মাস্ক পরে থাকতে হবে না। সারাজীবন শারীরিক দূরত্বও বজায় রাখতে হবে না। কিন্তু, বর্তমানে আমাদের কোভিড প্রোটোকল মেনে চলা আবশ্যক। এখনও মহামারীর শেষ পর্যায়ে পৌঁছইনি।"