নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫২৪ জন। সাড়ে চার মাস পর ফের রাজ্যের কোভিড গ্রাফ দেড় হাজারের গণ্ডি ছাড়াল। আজ শুধু কলকাতাতেই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচশোর বেশি। সংক্রমণের হার বেড়ে হল ১২.৮৯ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। দেওয়া হয়েছে টিকাকরনে জোর।
আরও পড়ুনঃ রবিতে গরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন শিন্ডে, মহারাষ্ট্র অন্য শিখরে পৌঁছবে! বার্তা মোদীর।



কিন্তু আজই বেনজির ঘটনা ঘটল টিকা দেওয়া নিয়ে। ঘটনাস্থল বেলঘরিয়ার জেনিথ নার্সিংহোম। ২৯ বছর বয়স্ক ধ্রুবজ্যোতি আচার্য তাঁর মাকে সাথে নিয়ে টিকা নিতে যান ওই নার্সিংহোমে। ভ্যাকসিন দিয়েও দেওয়া হয় তাঁদের। পরে হাতে আসে সার্টিফিকেট। সেই সার্টিফিকেট দেখেই চোখ কপালে উঠেছে ধ্রুবজ্যোতির। অভিযোগ তাঁকে এবং তাঁর মাকে ভ্যাকসিন দিয়েছিলেন একজন পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মী। কিন্তু সার্টিফিকেটে লেখা অন্য জনের নাম! তিনি মহিলা, নাম ঝর্ণা সরকার!



ধ্রুবজ্যোতি আচার্য অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আমি আর আমার মা বেলঘরিয়ার জেনিথ নার্সিংহোমে গিয়েছিলাম তৃতীয় ডোজের টিকা নিতে। আমাকে ভ্যাকসিন দিলেন একজন পুরুষ আর টিকাকর্মীর নাম লেখা ঝর্ণা সরকার। টিকা দেবার পর সার্টিফিকেট জেনিথ থেকেই আমাকে দেওয়া হলো। আমি সার্টিফিকেট দেখে বললাম কিন্তু টিকা তো দিয়েছেন একজন পুরুষ তাহলে টিকাকর্মীর নাম মহিলা দেখাচ্ছে কেন। আমাকে তখন বলা হলো উনি খেতে বাইরে গেছেন। সবথেকে অদ্ভুত বিষয় যেই লোক আমায় টিকা দিলেন তার নাম আমি জানিনা, আদৌ তিনি প্রশিক্ষিত কিনা সেটাও জানিনা। আমি বললাম কিন্তু টিকা যিনি দেবেন তার নামেই তো টিকাকর্মীর নাম থাকবে সার্টিফিকেটে।’

তাঁর সংযোজন, ‘ওনারা কিছু বলছেন না দেখে আমি জেনিথের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে গেলাম কিন্তু উনি ছিলেন না। ওনাকে না পেয়ে আমি ফ্লোর ম্যানেজারের কাছে গেলাম। উনিও সেভাবে গুরুত্ব দিতে নারাজ। আমি জানিনা টিকাকর্মীর নাম এমন কাউকে দেওয়া যায় কিনা যিনি আদৌ টিকা দেননি। আরেকটি বিষয় হলো যেখানে টিকাদান চলছিল সেখানে সিসিটিভি ছিল ফলে সেটা দেখলেই পরিষ্কার হবে যে টিকা দিচ্ছেন একজন পুরুষ আর টিকাকর্মীর নাম মহিলার নামে। আজ আমার সাথে অন্তত ১০ জন টিকা নিয়েছেন সবার সার্টিফিকেটই মহিলা টিকাকর্মীর নাম কিন্তু তাদের টিকা দিয়েছেন একজন পুরুষ।’







