নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশে কি চতুর্থ ঢেউ আছড়ে পড়েছে! একটানা ঊর্ধ্বমুখী কোভিড গ্রাফ তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বুধবারেও একলাফে ফের বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি বেড়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যাও। যা ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। কোভিডবিধি এড়িয়ে চলা এবং বুস্টার ডোজে অনীহাই যে চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী, তা বারবার জানাচ্ছেন তাঁরা। রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতিও খুন একটা সন্তোষজনক নয়।
আরও পড়ুনঃ সঙ্গম শুরুতেই শেষ? যৌন মিলনের সময় বাড়ান চারগুণ। কিভাবে?


গতকাল আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯০০-এর কাছাকাছি। বুধবার এক লাফে তা বেড়ে পৌঁছে গেল একেবারে দেড় হাজারের কাছে। রাজ্যে প্রায় সাড়ে চার মাস পর দৈনিক আক্রান্ত হাজারের গণ্ডি পেরোল। শুধু দৈনিক আক্রান্তই নয়, দৈনিক সংক্রমণের হারেও বড় লাফ দেখা গেল বুধবার। তা ছাড়িয়ে গেল ১০ শতাংশ। পাশাপশি করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ২ জনের।

আজ রাজ্য জুড়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪২৪ জন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষ ২৭ হাজার ৯০১ জন। এই বিপুল আক্রান্তের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০ লক্ষ ৭৯৮ জন। যার মধ্যে আজ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৯৬ জন। রাজ্যে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২১ হাজার ২১৮ জনের। যার মধ্যে আজ মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।



রাজ্যে নতুন করে যত সংক্রমিত হয়েছেন, তার মধ্যে অধিকাংশই কলকাতার অধিবাসী। মহানগরে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮৯ জন। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও। ওই জেলায় আক্রান্ত ৩৮৮ জন। কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলির কোভিড পরিস্থিতি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। ওই তিন জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৮৭ জন, ৭৭ জন, ৬৪ জন।
দেশে চতুর্থ ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিত, কলকাতায় লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ!

বর্তমানে দেশের সক্রিয় রোগী বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৬০২। গোটা দেশে একটিভ কেসের হার ০.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, ভারতে একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৭। দেশে বেড়েছে সংক্রমণের হারও। ধীর গতিতে বাড়তে বাড়তেই বর্তমানে তা ৩.৩৫ শতাংশ।







