সোমবার ভয়াবহ একটি রেল দুর্ঘটনা ঘটে রাজ্যে। শিয়ালদহগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে ধাক্কা মারে একটি মালগাড়ি। যে ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত বহু। আহতদের দেখতেই সোমবার উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রথম দিন বাংলার তিন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার। সকাল ৯ টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ১৫%। পরের দু'ঘন্টায় অর্থাৎ বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার বেড়ে হল ৩৩.৫৬%।
শীতলকুচিতে এক বিজেপি কর্মীর ওপর হাঁসুয়া দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁর হাতে ও মাথায় কোপ পড়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, ভোট দানেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে বিজেপি কর্মীরা নালিশ জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, 'এক ঢিলে দুই পাখি' মারলেন তৃণমূলনেত্রী। উত্তরবঙ্গের ভোটপ্রচারের সঙ্গেই জুড়ে দিলেন বীরভূমকে। মমতার কথায়, "শীতলকুচিতে ৫ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। এত মানুষ মেরে হাতের রক্ত এখনও মোছেনি। এখন বীরভূমে গিয়ে আবার ভোটে দাঁড়িয়েছে!"
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, "আমি কোচবিহারের জনসাধারণের মধ্যে আসার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি আজ-ই দুপুর ৩টে ৩০ নাগাদ বঙ্গ বিজেপি-এর সমাবেশে ভাষণ দিতে। ওখানকার মানুষ আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিকে বিরাটভাবে সমর্থন করছেন আর, আমার দৃঢ় বিশ্বাস ওঁরা আবার বিজেপির প্রতি আস্থা বজায় রাখবেন।"
হাসপাতালে পা রাখতেই একের পর এক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। একসময় যখন আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন সেইসময় আশার আলো দেখাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর। তাদের উদ্যোগেই বৃদ্ধাকে এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়।