নদীয়ার কৃষ্ণনগর থেকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার সরাসরি উত্তরবঙ্গে প্রচার শুরু করে দিলেন তৃণমূলনেত্রী। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের মাথাভাঙায় গুমানির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের সভা থেকে বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিষ ধরকে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি।
আরও পড়ুন: কেজরীকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অপসারণের আর্জি! দিল্লি আদালতে খারিজ ‘হিন্দু সেনা’-র আবেদন


একুশের বিধানসভায় শীতলকুচির জোরপাটকির ৫/১২৬ নম্বর বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা যান ৫ জন। মাথাভাঙা থেকে সেই প্রসঙ্গই তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিশানায় নিলেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিষ ধরকে। যিনি সদ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ পদ থেকে অবসর নিয়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মারলেন তৃণমূলনেত্রী। উত্তরবঙ্গের ভোটপ্রচারের সঙ্গেই জুড়ে দিলেন বীরভূমকে। মমতার কথায়, “শীতলকুচিতে ৫ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। এত মানুষ মেরে হাতের রক্ত এখনও মোছেনি। এখন বীরভূমে গিয়ে আবার ভোটে দাঁড়িয়েছে!”



শীতলকুচি হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী দেবাশিষ ধর! বীরভূমের বিজেপি প্রার্থীকে তীব্র আক্রমণ মমতার
মমতার আরও সংযোজন, “ভোটের সময় শীতলকুচিতে লাইনে দাঁড়ানো ৫ জনকে গুলি করে মেরেছিল। ৪ জন সংখ্যালঘু ও ১ জন রাজবংশী ভাই ছিল সেখানে। নির্বাচনের মাঝেই ছুটে এসে পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। যে লোকটার নির্দেশে এটা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে আমার সরকারের দুটো ডিপি চলছে। ভিজিল্যান্স ক্লিয়ার হয়নি। আমরা রাজ্য সরকার আপত্তি করা সত্ত্বেও ভারতবর্ষের সরকার তাঁকে ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিয়েছে। কোনও আইনকানুন কিচ্ছু মানেনি। সংবিধান মানেনি।”









