নজরবন্দি ব্যুরো: মায়ের চিকিৎসা করাতে কোচবিহার থেকে এসেছিলেন যুবক। কিন্তু হাসপাতালে পা রাখতেই একের পর এক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। একসময় যখন আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন সেইসময় আশার আলো দেখাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর। তাদের উদ্যোগেই বৃদ্ধাকে এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কাটতেই বাংলায় জাঁকিয়ে শীত, আজ থেকেই পরিষ্কার আকাশ


জানা গিয়েছে, কোচবিহারের বাসিন্দা পলাশ দাশগুপ্ত। তাঁর মা সরোজিনী দাশগুপ্ত কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। রক্তে ক্রিয়েটিনের মাত্রা অতিরিক্ত। চিকিৎসা করাতে মাকে নিয়ে কলকাতায় এসেছিলেন ওই যুবক। গত মঙ্গলবার দুপুরে মাকে নিয়ে পিজি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যান তিনি। সেখানে জানানো হয়, বুধবার আউটডোরে দেখাতে। কিন্তু সরোজিনী দেবীর শীঘ্রই চিকিৎসার প্রয়োজন। তাঁর শরীর ফুলে গিয়েছে। ক্রমশ নেতিয়ে পড়ছিলেন। চোখের সামনে মায়ের এমন অবস্থা দেখে হাসপাতালেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পলাশ।

এরপরই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে যোগাযোগ করা হয়। সূত্রে খবর, তৃণমূল সাংসদের দফতর থেকে এসএসকেএমের এমএসভিপি পীযুষকান্তি রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বুধবার বেডের অভাবে মাকে ভর্তি করতে পারেননি পলাশ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বৃদ্ধাকে নেফ্রোলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছে।



উল্লেখ্য, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন ‘এক ডাকে অভিষেক’। গত মার্চ মাসে এক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী পরীক্ষার তিনদিন আগেও অ্যাডমিট কার্ড হাতে না পাওয়ায় অভিষেকের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করতেই সমাধান হয়ে যায়।
মায়ের চিকিৎসা করাতে কলকাতায়, হাসপাতালে পা রাখতেই শুরু প্রাণপন যুদ্ধ, পথ দেখাল অভিষেকের দফতর

গত সেপ্টেম্বর মাসে এক শিশুর গলায় লকেট আটকে যায়। দ্রুত শিশুটিকে কলকাতার এসএসকেএম স্থানান্তরিত করার পরামর্শও দেন চিকিৎসকেরা। এরপর ‘এক ডাকে অভিষেক’-এ ফোন করলে সেখান থেকে শিশুটির চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নেওয়া হয়। দ্রুত শিশুটিকে এসএসকেএমে ভর্তি করা থেকে অপারেশন, সবকিছুর দায়িত্ব নেয় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের অফিস।







