সব মিলিয়ে এই যাত্রা কংগ্রেসের রাজনৈতিক এজেন্ডা (political agenda) তুলে ধরারও যাত্রা বলা যেতে পারে। কার গত বার ভারত জোড়ো যাত্রা তে রাজনৈতিক ভাবে লাভের মুখ দেখেছিল কংগ্রেস বলে মনে করেছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আর এবার সেই একই ফলের আশায় ফের এই যাত্রা বলে মনে করা হচ্ছে।
২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধন করা হবে। উল্লেখ্য, তিন দশক আগে রামমন্দির আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা বিজেপির প্রাক্তন দুই সভাপতি আডবাণী (Lal Krishna Advani) এবং জোশীও আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যা যাবেন না বলে রামমন্দির ট্রাস্টের (Ram Mandir Trust) তরফে জানানো হয়েছে।
কংগ্রেস সূত্রের খবর এই যাত্রায় এবার কংগ্রেস ছাড়াও বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার (INDIA) উল্লেখযোগ্য নেতা-নেত্রীদেরও দেখা যেতে পারে। আগামী একুশে ডিসেম্বর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকেই ভারত জোড়ো যাত্রার দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর।
মঙ্গলবার দিল্লিতে বসছে ইন্ডিয়া জোট। আগেই জানা গিয়েছিল, এই বৈঠকে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হবে। বাংলার শাসক দল তৃণমূল তাদের সূত্রে স্থির থাকবে বলেই জানা গিয়েছে।
ওড়িশার কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ ধীরজ সাহুর বাড়ি এবং তাঁর বান্টি সাহুর বাড়ি থেকে ৩৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে আয়কর দফতর। টাকার অঙ্কটা এখনও বাড়তে পারে বলেই জানা যাচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ দুর্নীতির প্রতিবাদে আজ সংসদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন বিজেপি সাংসদরা। বিক্ষোভে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ছিলেন সৌমিত্র খাঁ, দেবশ্রী চৌধুরী প্রমুখ।
আয়কর দফতর তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার করেছে। আলমারি ও বাক্সে থরে থরে টাকা সাজানো ছিল। টাকা গোনার জন্য যন্ত্র আনা হলে সেটিও ভেঙে যায়। এই ঘটনায় চারিদিকে শোরগোল পড়েছে। এবার এনিয়ে সরব হলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।