তৃণমূলের পাল্টা দাবি ছিল, ইডির অপব্যবহার করছে কেন্দ্রের বিজেপির সরকার। পরিকল্পনা করে শাসক দলের নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে কিন্তু বিজেপির নেতাদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এরফলে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যেই জোটের আসন সমঝোতার আলোচনা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস। সেই লক্ষ্যেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এরপরই বাম ও তৃণমূলের সঙ্গে বৈঠকে বসবে কংগ্রেস।
জোট নিয়ে দিল্লিতে রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যে অধির চৌধুরীকে অনুরোধ করে চলেছে সিপিআইএমের শীর্ষ নেতৃত্বরা। আর এই ঘটনাতেই রাজ্য রাজনীতির ভেতরে শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। যে রাজ্যে কংগ্রেসের হাত ধরেই কী বেঁচে থাকতে চাইছে সিপিএম?
কয়েক মাস পরই লোকসভা নির্বাচন। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা শুরু করেছে। এর দুদিন আগেই প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট বধরার নাম চার্জশিটে উল্লেখ করেছিল ইডি।