আর জি করের ঘটনার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হাসপাতাল ও স্কুলের মত জায়গা থেকে সিভিক ভলেন্টিয়ার দের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ার ফলে বাংলার পুলিশ প্রশাসনের নাম খারাপ হচ্ছে। আর সেই কারণেই এবার সিভিক ভলেন্টিয়ার এর প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন।
আগে যা বেতন বাবদ পেতেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ার এবার তার থেকে ১ হাজার টাকা বেশি পাবেন। তার জন্য ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। রাজ্য পুলিশের ২০ শতাংশ চাকরি সংরক্ষিত থাকবে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য।
কেন্দ্রীয় বাহিনী নাকি রাজ্য পুলিশ? আসন্ন পঞ্চায়েতের নিরাপত্তা দায়িত্বে কারা থাকবে? কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চই তা নির্ধারিত করবে। কিন্তু তার আগেই আদালতে কমিশন নিজেই স্পষ্ট করে জানাল যে, তাঁদের সিভিকের ওপর কোনও আস্থা নেই!
বাঁকুড়া পুলিশের এই অভিনব উদ্যোগ নিয়ে সারা রাজ্য জুড়ে তোলপাড় হয়েছে। অঙ্কুর নামে বাঁকুড়া পুলিশের সেই প্রকল্পের স্থগিতাদেশ জারি রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি জানিয়েছেন, এটা স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে শিক্ষা দফতরের কোনও অনুমোদন ছিল না। অর্থাৎ, সিভিক ভলেন্টিয়ারদের শিক্ষা প্রদানে স্থগিতাদেশ দেওয়া হল।
সূত্রের খবর, সোমবার নবান্নে প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই এই প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। তবে কিভাবে এই নিয়োগ হপবে? সিভিক ভলান্টিয়াররা পাবেন স্থায়ী চাকরির সুযোগ? এমনকি এই নির্দেশ আদৌ কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছুই জানা যায়নি।