নজরবন্দি ব্যুরো: কেন্দ্রীয় বাহিনী নাকি রাজ্য পুলিশ? আসন্ন পঞ্চায়েতের নিরাপত্তা দায়িত্বে কারা থাকবে? কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চই তা নির্ধারিত করবে। কিন্তু তার আগেই আদালতে কমিশন নিজেই স্পষ্ট করে জানাল যে, তাঁদের সিভিকের ওপর কোনও আস্থা নেই!
আরও পড়ুন: ঠাকুরনগর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তে দাবি শান্তনুর! পাল্টা তোপ দাগলেন মমতা


উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টে। মামলা গুলি করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তির নানা অংশকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে মামলায়। এদিকে, শুরু থেকে মনোনয়ন ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা! অভিযোগ, কমিশনের দেওয়া সময় যথেষ্ট নয়। এই প্রসঙ্গে সোমবার বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পরে কমিশন! তাচারাও পঞ্চায়েতে ভোটের নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশ নাকি কেন্দ্রীয় বাহিনী? সব মিলিয়ে সোমবার সকলের নজর ছিল আদালতের রায়ের ওপর!

সূত্রের খবর, এদিন শুনানির প্রথমার্ধেই প্রধান বিচারপতি জানান, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর কথা ভাবতে পারে নির্বাচন কমিশন। যেমন হনুমান জয়ন্তীর সময় সাধারণ মানুষের মনোবল বাড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যকে সহযোগিতা করতে এসেছিল। ঠিক সেই ভাবেই কমিশন চাইলে সহযোগিতা চাইতে পারে। আর কমিশন যেই ৬ থেকে ১০টি জেলাকে স্পর্শকাতর ঘোষণা করেছে। সেক্ষেত্রে ওই স্পর্শকাতর জেলা গুলিতে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা যেতে পারে।



এছাড়াও বিচারক বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনলে ভাল হয়। রাজ্য নিজের বাহিনী দিলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা দেখবে কে? আমাদের মাথায় রাখতে হবে, সিভিক কিন্তু পুলিশ নয়! তারা পুলিশকে সাহায্য করার কাজে যুক্ত।” এই প্রসঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশন আদালতে স্পষ্ট করে জানায়, “আমরা নিজেরাই সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে ভোট করতে আগ্রহী নই। আমাদের সিভিকের প্রতি কোনও আস্থা নেই।”
Panchayat-এ সিভিকে আস্থা নেই, জানাল কমিশন








