বাংলায় একাধিক দুর্নীতি মামলার তদন্ত চলছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা তৎপর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় রাজ্যে আরও নতুন তিনটি ইডি আদালত গঠনের অনুমোদন দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
গত বুধবার তৃণমূলের তরফে যে প্রচার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে নাম ছিল যুব সভানেত্রীর। কিন্তু তাঁকে প্রচারে অংশ নিতে দেখা যায়নি। গত বৃহস্পতিবার ঈদ থাকায় প্রচারে নামেননি। শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ায় গতকালও প্রচার কর্মসূচি থেকে দূরেই ছিলেন সায়নী। কিন্তু শনিবারও তালিকা থেকে বাদ পড়লেন তিনি। এনিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সমালোচনা।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী তথা যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের। ইতিমধ্যেই তাঁকে সিজিও কমপ্লক্সে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কিন্তু তলবের পর থেকেই আচমকা গায়েব সায়নী। প্রশ্ন উঠছে কোথায় তিনি? কেন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না? চারিদিকে যখন এত শোরগোল সেই সময়েই এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের চিঠির জেরে নাম জড়িয়েছে অভিষেকের। আদালতের নির্দেশের পর সিবিআই তাঁকে তলব করে। নবজোয়ার কর্মসূচি থামিয়েই নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ চলে।
প্রায় চার ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষ! ইডির দফতর থেকে বেরিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলেন অভিষেক-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৩০ মিনিট নাগাদ কলকাতায় ইডির দফতর সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা।
সুপ্রিম রক্ষাকবচও রক্ষা করতে পারলো না তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে। প্রথমে বিদেশ যাত্রায় বাধা, তারপর বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজ ইডির তলবে কলকাতায় ইডির দফতর CGO Complex এ হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিষেক-পত্নীকে। এই নিয়ে কয়লাপাচার মামলায় আজ হাজিরা দিলে দু’বার ইডি-র মুখোমুখি হবেন তিনি।