মাঝে সেখানে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, সন্দেশখালিতে তাঁদের প্রবেশ রুখতেই রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করে সিপিআইএম। আদালতের নির্দেশে সন্দেশখালির পাঁচটি জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়।
শেখ শাহজাহান ও তার দুই অনুগামী শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে অভিযোগের জেরে স্থানীয়দের প্রতিবাদ- বিক্ষোভের জেরে বিগত কয়েকদিন ধরেই উতপ্ত উত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালি।
ইডির তরফে মূলত অভিযোগ তোলা হয়েছে যে এই মামলায় জড়িত রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের উপযুক্ত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মামলার অগ্রগতির রিপোর্ট চেয়ে ডিজিকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল বলে ইডির দাবী। কিন্তু রাজ্য পুলিশ এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ।
শুক্রবার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই এই নির্দেশ দেন বিচারপতি। ১২ জনের পৃথক মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে পর্ষদ। দেখা হবে, পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে মামলাকারীরা নিয়োগের যোগ্য কিনা।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই প্রাথমিকের প্যানেল প্রকাশ করে পর্ষদ। মোট ৯,৫৩৩ জনের নাম রয়েছে এই প্যানেলে। বৃহস্পতিবার পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল জানান, এই চাকরিপ্রার্থীরা আগামী সাত দিনের মধ্যে নিয়োগপত্র হাতে পাবেন।
বিচারপতিদের সংঘাতে পিছিয়ে যাচ্ছে মামলার শুনানি, কবে হবে চাকরি? এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন উচ্চ প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীরা। প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করার সময় তাঁদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ।