প্রাথমিক শিক্ষকে বেনিয়মের অভিযোগ উঠতেই ২৬৮ জনকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে ৫৪ জনের বক্তব্য শুনেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার চাকরি বাঁচানোর শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল ৮৮ জন। বৃহস্পতিবার ৮৮ জন হলফনামা জমা দিলেন। ৮৮ জনের মধ্যে আর কতজন চাকরি হারাবেন? হলফনামা জমা দিতেই উঠছে প্রশ্ন।
নিয়োগ দুর্নীতিতে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দুর্নীতির সেই ছবি প্রকাশ্যে আনতেই চাকরি প্রার্থীদের ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিচ্ছে কলকাতা হাইকোর্ট। তাতেই দুর্নীতির স্বচ্ছ ছবি ধরা পড়ছে ক্রমশ। এবার সাদা ওএমআর শিট জমা দিয়ে চাকরি করার অভিযোগ উঠল ময়নাগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
২০১৬ সালের নবম ও দশম শ্রেণীর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৯৫২ জনের ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেইমতো ৯৫২ জনেরই ওএমআর শিট প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। এখন ৯৫২ জনের বাবার নাম এবং কোন স্কুলে পড়াচ্ছেন? তা বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
টেট দুর্নীতি মামলায় এবার ৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরা আগে এই মামলায় ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২৬৯ জন চাকরি হারানো শিক্ষকদের হাইকোর্টে বক্তব্য পেশ করার কথা জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
এবার সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। সিবিআইয়ের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। একেবারে স্পষ্ট করে বলেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে আপনারা যান। উনি বুঝিয়ে দেবেন।