নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। নিয়োগ দুর্নীতিতে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দুর্নীতির সেই ছবি প্রকাশ্যে আনতেই চাকরি প্রার্থীদের ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিচ্ছে কলকাতা হাইকোর্ট। তাতেই দুর্নীতির স্বচ্ছ ছবি ধরা পড়ছে ক্রমশ। এবার সাদা ওএমআর শিট জমা দিয়ে চাকরি করার অভিযোগ উঠল ময়নাগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।


জানা গেছে, দুই ভূগোলের শিক্ষকের নাম রশিদুল হোসেন এবং লিটন বর্মন। দুই জনের বাড়ি কোচবিহার জেলায়। ময়নাগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্মরত তাঁরা। এখন স্যোশাল মিডিয়ায় তাঁদের ওএমআর শিট ঘুরপাক খাচ্ছে। যা নিয়ে ময়নাগুড়ি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এবিষয়ে ভূগোলের শিক্ষক রশিদুল হোসেন বলেন, এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। এটা সম্পূর্ণ আদালত ও পর্ষদের বিষয়। আমি সাদা খাতা জমা দেইনি। যেটা পর্ষদে দেখানো হচ্ছে সেটা ভুয়ো। অন্য এক শিক্ষক লিটন বর্মনের কোনও খোঁজ মেলেনি।

উল্লেখ্য, শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে ওএমআর শিট প্রকাশ যেন গোটা বিষয়টিতে ঘৃতাহুতি দিয়েছে। তার ওপর শুক্রবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, ৯৫২ জনের যে সমস্ত চাকরি প্রার্থীদের ওএমআর শিট প্রকাশ করা হয়েছে, তা জনসমক্ষে আনতে হবে। এমনকি ওই চাকরি প্রার্থীদের বাবার নাম এবং কোন স্কুলে কর্মরত তা জানাতে হবে কমিশনকে। তাতে স্পষ্ট করে বোঝা যাবে কতজনের ভুয়ো নিয়োগ হয়েছে।


সাদা ওএমআর শিট জমা দিয়ে চাকরি, ময়নাগুড়িতে দুই জনের নাম জড়িয়েছে

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নবম ও দশম শ্রেণীর ১৩,৭০০ শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছিল। সেই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। দুর্নীতির অভিযোগে এর আগে আদালতের নির্দেশে ১৮৩ জনের ওএমআর শিট প্রকাশ করেছিল কমিশন। এরপর আরও ৪০ জনের ওএমআর শিট প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার ৯৫২ জনের ওএমআর শিট প্রকাশ করা হয়েছে।







