শুক্রবার উত্তরবঙ্গ পৌঁছে ময়নাগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপির ১৭ জন বিধায়ক। সেখানে পরিবারকে সমস্তরকম আইনি সাহায্যের আশ্বাস দেয় বিজেপি। দরকার পড়লে সিবিআই তদন্তের দাবি করুন, নির্যাতিতার পরিবারকে পরামর্শ দেন বিরোধী দলনেতা।
আমার মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করুক সিবিআই। পুলিশের ওপর ভরসা নেই। একথা আগেই জানিয়েছিলেন ময়নাগুড়িতে নির্যাতিতার বাবা। এবার সেই বক্তব্য থেকে সরে এলেন নির্যাতিতার বাবা ঝুলা রায়। কিন্তু ৭২ ঘন্টা পরেই ভোলবদল ময়নাগুড়ির নির্যাতিতার বাবার। তাঁর বক্তব্য, সিবিআই নয়, পুলিশ করুক তদন্ত।
ভূত ধরতে পারলেই মিলবে নগদ পুরষ্কার, দলবল নিয়ে আসরে নামলেন বিডিও। এ যেন ঠিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'গরম ভাত' অথবা 'নিছক ভুতের গল্প' এর কিছু টা হলেও মিল খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। যেখানে সুরেন্দ্রর দল হেকে যাচ্ছে ভূত ধরে দিতে পারলেই মিলবে কড়কড়ে নগদ। খোঁজ মিলুক বা না মিলুক, বা নগদ পুরষ্কার জুটুক আর নাই বা জুটুক গ্রামবাসিদের মন থেকে ভূতের ভয় দূর করতে দলবল নিয়ে নামলেন বিডিও।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতি মাসে ট্রেনের ইঞ্জিন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা না করেই চালানো হয়েছিল ট্রে। কেন হয়নি পরীক্ষা? প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি।
শুক্রবার সকালেই ময়নাগুড়ি পৌছলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ট্রলিতে চেপে গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, আমি নিজে গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।