নিজেস্ব প্রতিনিধি ময়নাগুড়িঃ একটা ভূত ধরতে পারলেই মিলবে পুরষ্কার। গভীর রাতে তাই সরকারি অফিসের কর্মীদের নিয়ে এলাকা চষে ফেলতেও কসুর নেই কারো। এ যেন ঠিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘গরম ভাত’ অথবা ‘নিছক ভুতের গল্প’ এর কিছু টা হলেও মিল খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। যেখানে সুরেন্দ্রর দল হেকে যাচ্ছে ভূত ধরে দিতে পারলেই মিলবে কড়কড়ে নগদ। খোঁজ মিলুক বা না মিলুক, বা নগদ পুরষ্কার জুটুক আর নাই বা জুটুক গ্রামবাসিদের মন থেকে ভূতের ভয় দূর করতে দলবল নিয়ে নামলেন বিডিও।


টর্চ লাইট আর জোরালো আলোয় তল্লাশি চলল ময়নাগুড়ির দোমহীনিতে বেকানীর এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনাস্থল।সম্প্রতি ময়নাগুড়ির দোমহানির ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে ঘটনার পর থেকেই অশরীরী আত্মার আনাগোনা শুরু হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। সূত্রের খবর, স্বাভাবিকভাবেই গোটা এলাকায় রাতের বেলা তো বটেই এমনকি দিনের বেলায় আতঙ্কে ভুগছেন স্থানিও বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলের দিকে যাদের জমি জমা রয়েছে তাঁরা আর ওমুখ হতে চাইছে না তেনাদের ভয়ে।

আর এর কারণেই বিভিন্ন এলাকায় হরি নাম কীর্তন সহ বাইরে থেকে ভূত ভাগানোর ওঝা এনে অশরীরী আত্মা থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করার কাজ চলছে বলেই দাবি গ্রামবাসীদের। পরিস্থিতি ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে দেখে খবর পেয়ে গ্রামবাসীদের মন থেকে ভূতের ভয় তাড়াতে রাত্রে দলবল নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে হাজির হলেন ময়নাগুড়ির বিডিও শ্রুভ্র নন্দী।
ভূত ধরতে পারলেই মিলবে নগদ পুরষ্কার, দলবল নিয়ে আসরে নামলেন বিডিও

গতকাল, শনিবার রাতে ময়নাগুড়ির বি ডিও সহ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। দুর্ঘটনাস্থল পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করেও অলৌকিক কিছু পাননি তাঁরা। এনিয়ে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রামবাসীরা আতঙ্কে ভুগছেন। এখানে অলৌকিক কিছু যে নেই তা সাধারণ মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান বিডিও শুভ্র নন্দী। মানুষ যাতে অযথা আতঙ্কে না ভোগেন তার জন্য ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক ব্যবস্থা।









