সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশের তদন্তের কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনকি সিবিআই অফিসারদের অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। তদন্তের নথি বিকৃত করছে পুলিশ।
গতকাল প্রাথমিকে ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগে ১৪৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ফের ৫৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালতের তরফে ওই ৫৯ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে এখনও অবধি ২৫৫ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তার বেঞ্চে। বৃহস্পতিবার জামিনের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া তথ্য খুঁজে বের করছে সিবিআই, এরই মধ্যে কল্যাণময়ের হয়ে জামিনের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন তাঁর আইনজীবীরাই।
চাকরির জন্য এসেছিল ফোন। দেওয়া হয়েছিল একাধিক শর্ত। এমনকি পর্ষদের তরফে বেআইনিভাবে চাকরির টোপ দেওয়া হয়েছিল। এমনটাও অভিযোগ বারবার উঠে আসতে শুরু করেছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে এমনটাই অভিযোগ জানালেন এক চাকরি প্রার্থী। অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।
গরু পাচার মামলায় রেহাই পেলেন না অনুব্রত। বুধবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। দীর্ঘ সওয়াল জবাবের পরেই কেষ্টর জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। তবে কি অনুব্রতর পথের কাঁটা শীবঠাকুর মণ্ডল? গরুপাচার মামলায় বিরাট ফাঁপড়ে কেষ্ট।
প্রাথমিক শিক্ষকে বেনিয়মের অভিযোগ উঠতেই ২৬৮ জনকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে চাকরি বাঁচাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কর্মরত শিক্ষকরা। বুধবার তাঁদের মধ্যে ১৪৩ জনের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই ১৪৩ জনের দ্রুত বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি।
১৩ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। তারপর থেকেই সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নপ তুলতে দেখা যাচ্ছ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং অজয়কুমার গুপ্তার বেঞ্চকে। বুধবার জামিন খারিজ হলেও আদালতের প্রশ্ন ছিল, জোরালো যুক্তি না থাকলে একজনকে কতদিন বন্দি করে রাখতে পারেন? যা থেকে স্পষ্ট সিবিআইয়ের জবাবে এখনও অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট।