নজরবন্দি ব্যুরোঃ চাকরির জন্য এসেছিল ফোন। দেওয়া হয়েছিল একাধিক শর্ত। এমনকি পর্ষদের তরফে বেআইনিভাবে চাকরির টোপ দেওয়া হয়েছিল। এমনটাও অভিযোগ বারবার উঠে আসতে শুরু করেছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে এমনটাই অভিযোগ জানালেন এক চাকরি প্রার্থী। অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।
আরও পড়ুনঃ Sonia Gandhi Health: হাসপাতালে ভর্তি কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া, ব্যহত হচ্ছে ভারত জোড়ো যাত্রা


অভিযোগকারী শিল্পা চক্রবর্তীর বক্তব্য, যে ফোন এসেছিল সেখানে বলা হয়েছে পর্ষদের অফিস থেকে বলছি। সেই ফোন এসেছিল ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর। পর্ষদ সভাপতির সঙ্গে দেখা করে পর্ষদের অফিসে এসে চাকরির জন্য দেখা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে কোন পর্ষদ থেকে বলা হয়েছে? সেটা স্পষ্ট করেননি।

অভিযোগকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, রাজ্যে একাধিক শিক্ষা পর্ষদ রয়েছে। সেটা স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। কিন্তু ফোনে ওই চাকরি প্রার্থী টেট দিয়েছেন কি না সেটা জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তাই সেটা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। অভিযোগ শোনা মাত্রি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি ফোনের রেকর্ডিং খতিয়ে দেখার নির্দেশ বিচারপতির।
এমনিতেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য এখন জেল হেফাজতে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে এসেছে। বারবার টাকার বিনিময়ে নিয়োগের বিষয়টি উঠে এসেছে। কখনও সাদা খাতা দিয়েও চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।


পর্ষদের তরফে বেআইনিভাবে চাকরির টোপ দেওয়া হয়েছিল, বিস্ফোরক অভিযোগ

অন্যদিকে, ভুয়ো নিয়োগের বিষয়টি সামনে আসতে একাধিক জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবারেও ১৪৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর মাঝেই পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।







