নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় রেহাই পেলেন না অনুব্রত। বুধবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। দীর্ঘ সওয়াল জবাবের পরেই কেষ্টর জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। তবে কি অনুব্রতর পথের কাঁটা শীবঠাকুর মণ্ডল? গরুপাচার মামলায় বিরাট ফাঁপড়ে কেষ্ট।
আরও পড়ুনঃ Urfi Javed: ‘আমি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি’, ঘোষনা বিতর্কিত তারকা উরফির


গরু পাচার মামলায় গত বছরের ১১ অগাস্ট গ্রেফতার হন অনুব্রত মণ্ডল। তখন থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়ছেন তিনি। এরই মধ্যে দলীয় কর্মীকে খুনের চেষ্টার মামলায় অনুব্রতকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। যা নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গতকাল প্রশ্ন তুলতে দেখা গেছে কলকাতা হাইকোর্টকে।

আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, খুনের চেষ্টার অভিযোগে ১ বছর পরে কেন অনুব্রত মণ্ডলকে কেন গ্রেফতার করার প্রয়োজন হল? কেন এফআইআর-এর প্রয়োজন হল? কোনও আঘাত খুঁজে পেয়েছিলেন? নূন্যতম অনুসন্ধান করেছিলেন? তবে কি শিবকুমার অনুব্রতর পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াল? এই প্রশ্ন নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হলেও এখনও স্পষ্ট করে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
গতকাল অনুব্রতর আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, এদিন আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এই মামলায় ১৪৫ দিন ধরে জেলে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। একই মামলায় এর আগে সতীশ কুমার সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের জামিন দেওয়া হয়েছে। ৯৫ জনের সাক্ষী চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ জনের বয়ান নেওয়া হয়েছে।


গরুপাচার মামলায় বিরাট ফাঁপড়ে কেষ্ট, জামিন খারিজ করল আদালত

এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল প্রভাবশালী। তাঁর সঙ্গে অভিযুক্ত এনামুল হকের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ৩ টি জায়গা থেকে বিদেশে গরু পাচার করা হত। গোটা অপারেশন আরও সহজ করে দিতেন অনুব্রত। ওই এলাকার পলিটিক্যাল জায়েন্ট ছিলেন তিনি। এমনিতেই তাঁর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ রয়েছে। ৭ দিনের হেফাজতে ছিলেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁকে রাজনৈতিক দৈত্য্ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে।







