একান্তই যদি সিবিআই এর হাতে তদন্ত তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্য নিয়ে থাকে তাহলে কেন তা এখনই তুলে দেওয়া হচ্ছে না। কামদুনি কাণ্ডের মতো কেশ চাপা দেওয়ার পরিকল্পনা চালানো হচ্ছে।
দেবের বিরুদ্ধে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তোলেন বিজেপির হিরন। যা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলাও দায়ের হয়। বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক সাফ জানিয়ে দিলেন, এই মামলায় সরাসরি যুক্ত করতে হবে দেবকে। ফলে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন, আগামী দিনে কি বিপদ হতে পারে দেবের?
তাদের নাম কেন আকবর ও সীতা রাখা এবং এই দুই ভিন্ন ধর্মের নাম রাখার পরেও তাদের একসঙ্গেও রাখা হয়েছে। এরপরেই এই ঘটনার আপত্তি জানিয়ে হাই কোর্টের দারস্থ হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।
তৃণমূল বিরোধী রাজনৈতিক দলের একাধিক নেতানেত্রী এর আগেও পূজোর অনুদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, পুজোর সময় রাজ্য সরকার এই চাঁদা দিয়ে আসলে ক্লাবগুলোকে নিজের 'পকেটে' পুরে রাখতে চায়!
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যে ৯৪ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সেই ৯৪ জন আগামীকাল, ১ আগস্ট ২০২৪ থেকে ফের ফিরতে চলেছেন নিজ নিজ স্কুলে। এই শিক্ষকদের সবাই চাকরি পেয়েছিলেন ২০১৪ সালে।
২০২৩ সালে বাঁকুড়ার সোনামুখী থানা এলাকায় সৌমিত্র খাঁ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই মামলাতেই তদন্ত করে এমপি, এমএলএ বিশেষ আদালতে চার্জশিট পেশ করে রাজ্য পুলিশ। সৌমিত্রকে তলবও করে নিম্ন আদালত। কিন্তু, একাধিক বার তলব করা সত্ত্বেও সৌমিত্র একবারও হাজিরা দেননি। এড়িয়ে গিয়েছেন প্রত্যেকবার। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে নিম্ন আদালত।
গত কয়েক মাস ধরে বিদ্যুতের বিল অস্বাভাবিক হারে বর্ধিত হয়েছে বলে অভিযোগ জানায় সাধারণ মানুষও। যার ফলে চিন্তার ভাঁজ পরে মধ্যবিত্তের কপালে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে সব বাড়িতেই বাতানুকূল যন্ত্র চালিয়ে রাখা হয়। তাই অন্যান্য সময়ের তুলনায় গ্রীষ্মকালে খরচ হয় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ। ফলে এই সময় হঠাৎ করে এই বিদ্যুতের খরচ বেড়ে গেলে তা অবশ্যই সমস্যায় ফেলবে সাধারণ মানুষকে।