উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারেরও বেশি শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কেই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ, উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা নেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ পরিষ্কার জানিয়ে দিল, হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে চায় না শীর্ষ আদালত।
কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে (এসএসসি)-কে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নতুন মেধাতালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল।
কিন্তু হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অমৃতসেনা সেই মামলা খারিজ করে দেন । পাশাপাশি তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এই আইনজীবী তথা সঞ্জয় দাস কোনরকম জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারবে না।
আদালতের তরফে, শনিবার সকাল দশটার মধ্যে সিবিআইকে এই আর্থিক দুর্নীতি মামলার সমস্ত তথ্য হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে। পাশাপাশি, বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ নির্দেশ দেন, আগামী ৩ সপ্তাহের (১৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যে তদন্ত সংক্রান্ত স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইকে।
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় একদিকে যখন উত্তাল গোটা দেশ, ঠিক একই সময়ে এই মেডিকেল কলেজে একাধিক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন আখতার আলি নামে এক চিকিৎসক।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, যত দিন এগোবে তত তথ্যপ্রমাণ লোপাটের একটা সম্ভাবনা থেকে যাবে। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীদের কলকাতা পুলিশের ওপর বিন্দুমাত্র ভরসা নেই। কারণ, ঘটনার দিন তরুণীর পরিবারকে ৩ ঘন্টা বসিয়ে রেখে প্রথমে আত্মহত্যা বলে দাবি করেছিল পুলিশ। এর পরে জানা যায়, আসলে আত্মহত্যা নয়, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে চিকিৎসককে।
কলকাতা হাই কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানিতে 'অমানবিক' ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি। পাশাপাশি, এও বলা হয়েছে, 'রাস্তায় তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়নি। হয়েছে হাসপাতালে। তিনি হাসপাতালেরই এক অংশ। এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে এসেছে। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের দাবি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে আদালত।"