আর জি কর কাণ্ডের বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে ছাত্র সমাজের ওপর পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে আজ বুধবার রাজ্যজুরে ১২ঘণ্টার ধর্মঘট পালন করছে বিজেপি। সেই ধর্মঘট সফল করতে পথে নামে বিজেপি। পাশাপাশি ধর্মঘট যাতে না সফল হয় তার জন্য পথে নামে তৃণমূল কর্মীরাও। একাধিক জায়গায় শুরু হয় বচসা। যার ফলে রীতিমতো নাজেহাল ট্রেনে বাসের নিত্য যাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। আর এই বনধের বিরোধিতা করে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা হলে সেই মামলা খারিজ করে দেয় হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ওই আইনজীবীকে।
সেদিন হাইকোর্টের এক বিচারপতি যার নাম সঞ্জয় দাস। তিনি বিজেপির এই ১২ঘন্টা বনধের প্রতিবাদ করে হাইকোর্ট একটি জনস্বার্থ মামলা করেন। কিন্তু হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অমৃতসেনা সেই মামলা খারিজ করে দেন । পাশাপাশি তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এই আইনজীবী তথা সঞ্জয় দাস কোনরকম জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারবে না। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় তাকে।
এখন প্রশ্ন উঠছে যে কেন এই সঞ্জয় দাস কে জনস্বার্থ মামলা করা থেকে আটকে দিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কারণ বিচারপতি অমৃতা সিনহার ডিভিশন বেঞ্চে যখন একটি পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে মামলা বিচারের জন্য পাঠানো হয়। সেই সময় কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলার দায়ের হয়। সেই জনস্বার্থ মামলার মামলা কারিও ছিলেন এই আইনজীবী সঞ্জয় দাস। সেই সময় সেই মামলার যে অবকাশ চলছিল সে অবকাশের সময় এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজন আছে বলে।
কিন্তু তারপরে অমৃতা সিনার এজ্লাস থেকে এই পুলিশই নিষ্ক্রিয়তার মামলা সরানো হোক বলে দাবি করা হয়। ফলে মাননীয় প্রধান বিচারপতি মনে করছেন আইনের যে একটা প্রক্রিয়া আছে তা অপব্যবহার করার করা হচ্ছে এবং কলকাতা হাইকোর্ট কে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলে আজকের শুরুতেই কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি অমৃতা সিনহা এজলাসে যখন শুরু হয় তখন আগের যে জনস্বার্থ মামলা ছিল সেটি শুরু হয়। সেই সময়ই সঞ্জয় দাস কে বিচারপতি অমৃতা সিনহা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং তিনি কোন জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারবে না বলে বলা হয়। এদিকে তারপরেই বন্ধের বিরোধিতা করে জনস্বার্থ মামলা করলে তা খারিজ করে দেওয়া হয়।



