তরুণী ধর্ষিতা চিকিৎসকের বিচার চেয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দারস্ত হয়েছেন ওই তরুণী চিকিৎসকের পরিবার। এছাড়াও রজি কর-কাণ্ডে মোট তিনটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি। প্রথম দিনের শুনানিতেই একাধিক প্রশ্ন তুললেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। চিকিৎসকের আত্মহত্যার খবর দেওয়ার পাশাপাশি সোমবার সকালে আরজি কর থেকে পদত্যাগ করলেও, বিকেলেই তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পদ দেওয়া হয়। দুপুর ১টার মধ্যেই কেস ডাইরি তলব প্রধান বিচারপতির।
এদিন শুনানি তে প্রধান বিচারপতি সন্দীপ ঘোষকে নিয়ে বলেন,“উনি কতটা ক্ষমতাশালী লোক যে তাঁকে কয়েক ঘণ্টার মধ্য়েই এভাবে ‘পুরস্কার’ দেওয়া হল?” পাশাপাশি বলেন উনি তো ওই তরুণী চিকিৎসকের অভিভাবকের মতো ওনার অনেকদিনের উচিত লম্বা ছুটিতে চলে যাওয়া। আর তাই আজকের মধ্যেই ছুটির আবেদন করতে হবে। নাহলে আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। পাশাপাশি বিচারপতির প্রশ্ন, পদত্যাগের ৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের নিয়োগ হয় কি করে?


পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াল আদালত, বিচারপতি কথায়, “এক সহকর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সেক্ষেত্রে আন্দোলনকারীদের আবেগ কে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে” একইসাথে এদিন মামলাকারীর আইনজীবীর পক্ষ থেকে বলা হয়, “সিবিআই তদন্তে কেন এত সময় নেওয়া হচ্ছে? একান্তই যদি সিবিআই এর হাতে তদন্ত তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্য নিয়ে থাকে তাহলে কেন তা এখনই তুলে দেওয়া হচ্ছে না। এক্ষত্রে তদন্ত লোপাটের সম্ভাবনা থাকছে।” এছাড়াও মামলাকারীর আইনজীবীর পক্ষ থেকে বলা হয়, কামদুনি কাণ্ডের মতো কেশ চাপা দেওয়ার পরিকল্পনা চালানো হচ্ছে।







