তৃণমূল দলে শিল্পীর অভাব নেই। বলা ভালো, ঘাসফুল শাসন বজায় রাখার নেপথ্যে এখনও পর্যন্ত যথেষ্ট ভূমিকা নিয়ে থাকেন শিল্পীবৃন্দ। তাই বলে বিধানসভায় বাদানুবাদে জড়াবেন দুই গায়ক? প্রথম সারির একাধিক সংবাদ পোর্টালে চাউর হয়েছে সে খবর। সুর তাল যাদের ধ্যানজ্ঞান, তাঁরাই হঠাৎ করে একে অপরের বিরুদ্ধে 'বেসুরো' হলেন কেন? এ উত্তর জানা না থাকলেও, বিষয়টিকে একটু খোলসা করে বলাই যায়! কথা হবে, আজকের বিধানসভা শেষে স্বনামধন্য দুই গায়কমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন আর বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে।
দুর্গাপুরের বিজেপি নেতা রাজু ঝাকে খুনের ঘটনায় বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। ঘটনার পিছনে কী কারণ ছিল? রাজুকে হত্যার পিছনে কাদের হাত রয়েছে? একাধিক প্রশ্ন ক্রমাগত মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে বিজেপিতে যোগদানকারী রাজুর মৃত্যুর পরেই একের পর বিস্ফোরক ট্যুইট রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, বিজেপিতে যোগদানকারী কয়লা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত হচ্ছে না?
এবার শীতে বাড়িতে বসেই টিকিট কেটে বেড়িয়ে পড়তে পারেন কলকাতার ২১টি দর্শনীয় স্থান ঘুরতে। বুধবার এমনটাই জানালেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শহর কলকাতায় পর্যটন শিল্পকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে নতুন পদক্ষেপ নিল রাজ্য পর্যটন দপ্তর। এই টিকিটে ঘোরা যাবে ইকো পার্ক, নিকো পার্ক, সায়েন্স সিটি, ভিক্টোরিয়া-সহ শহরের ২১টি দর্শনীয় স্থান।
বিধানসভা নির্বাচনের পর মোদি সরকারের মন্ত্রক হারাতেই দলবদল করে ফেলেন বাবুল সুপ্রিয়। পরে উপনির্বাচনে জয়লাভ করে সোজা জায়গা করে নেন মমতার মন্ত্রীসভায়। এরই মধ্যে সময় পেরিয়েছে তিন মাস। ‘দক্ষ’ বাবুলের কাজ নিয়ে বৃহস্পতিবার উষ্মা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বিধানসভায় বাবুল বনাম মমতা –র ছবি ধরা পড়ল।
এদিন মধ্যপ্রদেশের ইন্ডোর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, 'বিহারে সরকার বদলেছে। অনেকে বলেন, মেয়েরা ঘনঘন বয়ফ্রেন্ড বদলান। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীও তেমনই। কখন কার হাত ধরবেন বা ছাড়বেন, কেউ জানে না।' এমনকী, নিজের বক্তব্যে 'বিদেশি' শব্দও ব্যবহার করেন তিনি।
মন্ত্রীসভায় বিরাট রদবদল করতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেকারণেই নয় জন বিধায়করা আজ মন্ত্রীপদে শপথ বাক্য পাঠ করলেন। যার মধ্যে ৫ জনকে দেওয়া হল পূর্ণমন্ত্রীর পদ। সেকারণে এবার বহু মন্ত্রীপদের একাধিক দফতর হারাতে হতে পারে। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। অনেকেই মনে করছেন, একাধিক রদবদলে দফতর কমছে ফিরহাদের।