সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে দলের আধিপত্য বিস্তার করতে রাজ্যে রাজ্যে পার্টি অফিস খুলছে তৃণমূল। ত্রিপুরা, গোয়ার মতো রাজ্যগুলিতে নিয়মিত প্রচার-জনসংযোগ সারছে রাজ্যের শাসক দল। লক্ষ্য দিল্লীর মসনদ। তাই সেই যুদ্ধে শক্তি বাড়ানোর জন্যে এবার দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে যুক্ত করা হল তিনজনের নাম।
শুক্রবার দলের কর্মসূচিতে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে এই প্রশ্ন করে বসেন দলের কর্মীরাই৷ সেখানে মেজাজ হারান লকেট৷ দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা চুপ করুন। আমি তৃণমূলে যাচ্ছি এরকম ইঙ্গিত আপনারা পেয়েছেন নাকি? দলবদল প্রসঙ্গে সপাটে না জবাব আগেও দিয়েছিলেন অর্জুন সিং। তিনি এখনও তৃণমূলে। সেই রাস্তা ধরে কী লকেটও ফিরছেন তৃণমূলে?
তৃতীয়বার সরকার গঠনের এক বছর পালিত করছে তৃণমূল। কোনওভাবেই যাতে না পরিস্থিতি আলগা হয়, সেজন্য সব দিক থেকে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সোমবারের পর ফের মন্ত্রীসভার জরুরী বৈঠকে মমতা।
বাবুলের পর অর্জুন। দুই সাংসদ খুইয়ে বসে কড়া প্রশ্নের মুখে রাজ্য বিজেপি। শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন একাধিক নেতা। এমত অবস্থায় দলের কর্মসূচি কী হবে? কীভাবে পরিচালিত হবে দল? তা নিয়ে সোমবার নিউটাউনে একটি অভিজাত হোটেলে বৈঠকে বসল বঙ্গ বিজেপি।
রাজ্যপাল আমাদের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছেন। যে কারণেই হোক আমাকে নতুন বিধায়ককে শপথ করাতে হয়েছে। আমি মনে করি আমরা সকলে এক। এক হয়ে কাজ করব। বাবুল সুপ্রিয়র শপথ গ্রহণের পর রাজ্যপালের ওপর ক্ষোভ উগরে দিলেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়। একেবারে সংবাদমাধ্যমের সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।