নজরবন্দি ব্যুরোঃ সেই তো রাজ্যপালের ঠিক করে দেওয়া ব্যাক্তিই শপথ করাচ্ছে। তাহলে এত নাটকের কী প্রয়োজন ছিল? এবার বাবুলের শপথ নিয়ে কটাক্ষ বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের। তিনি আরও বলেন, ফালতু জটিলতায় কেন পড়েন ওরা। শেষ পর্যন্ত ডেপুটি স্পিকারই বাবুলকে শপথ করাবেন। তাহলে এত নাটক করতে গেল কেন শাসক দল?
আরও পড়ুনঃ Babul Supriyo: জল্পনার অবসান, বুধেই শপথ নেবেন বাবুল


উল্লেখ্য, বহু জটিলতার পর আজ বিধানসভার সদস্য হিসাবে শপথ নেবেন বাবুল সুপ্রিয়। সাড়ে ১২ টা নাগাদ বাবুলকে বিধানসভায় শপথগ্রহণ করাবেন ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্য্যায়। তা নিয়ে বিধানসভায় প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। মঙ্গলবার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ এবং উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায়ের সঙ্গে বৈঠক করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুরু থেকেই বাবুল সুপ্রিয়র শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে জটিলতা এখা দিয়েছিল। কারণ, বিধায়কদের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব স্পিকারের কাছ থেকে নিজের কাছে ফিরিয়ে নিয়েছেন রাজ্যপাল। পরিবর্তে সরকারের কাছে আটকে থাকা বিল নিয়ে খতিয়ান চেয়ে যাচ্ছেন।


বাবুলকে শপথের জন্য ডেপুটি স্পিকারের কাছে অনুমতি দেন রাজ্য জগদীপ ধনকড়। কিন্তু স্পিকারকে এড়িয়ে শপথ গ্রহণে রাজি হননি ডেপুটি স্পিকার। তাই বিজেপি সদ্য বিজেপি থেকে আসা বাবুলের শপথগ্রহণকে ঘিরে জটিলতা দেখা দেয়। সূত্রের খবর, তৃণমূলের তরফেই আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়কেই শপথ গ্রহণের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নিয়ম মেনেই ডেপুটি স্পিকারের মাধ্যমে আজই বিধানসভায় শপথ নেবেন বাবুল।
এত নাটক করতে গেল কেন শাসক দল? প্রশ্ন দিলীপের

একইসঙ্গে গতকাল রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি রাজ্যেও নির্বাচন হবে। যদিও এবিষয়ে মুখ খুলতে রাজি নয় মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ। তাঁর কথায়, একথা শুভেন্দু কেন বললেন তিনি নিজেই বলতে পারবেন। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, রাজ্যপালের কাছে সমস্ত দল যায়। তৃণমূলও যায়। যাতে না আর টাইট দিতে হয় সেই অনুরোধ করেন তাঁরা।








