নজরবন্দি ব্যুরোঃ তাঁর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া সিদ্ধান্ত মাত্র চারদিনের আলোচনার ফল৷ গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই জানিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয় ৷ বলেছিলেন, ‘‘আমি নিচের স্তরে খেলব না৷ প্লেয়িং ইলেভেন খেলতে চাই৷ প্রয়োজনে ছোট দলের হয়ে কাজ করবেন৷’’ স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, বিজেপিতে তাঁর ক্ষমতা ছাঁটার কারণেই দলত্যাগ৷ আর এবার প্রায় ৮ মাস পরে বাবুলের মনোবাঞ্ছা কিছুটা পূরণ করল তৃণমূল।



তবে প্রথম একাদশে খেলতে না দিলেও বাবুল কে দলের সাধারণ সদস্য করে রাখেননি মমতা বন্দোপাধ্যায়। তাঁকে প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আসন, বালিগঞ্জের বাই ইলেকশনে দাঁড় করায় তৃণমূল। সেই আসনে জয় পেয়ে এখন তিনি তৃণমূলের বিধায়ক। তাঁকে দল এখনও মন্ত্রিত্ব দেয়নি। এই ঘটনায় কিছুটা আশাহত হয়েছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তবে এবার তাঁর কিছুটা পদোন্নতি ঘটাল তৃণমূল। তাকে দেওয়া হল জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব।

নতুন দায়িত্ব পেয়ে আপ্লুত বাবুল নিজের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ট্যুইটারে। মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাবুল লিখেছেন, “ধন্যবাদ দিদি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত করায়। আপনি যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালনের জন্য নিজের সেরাটা দেব।”


তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র হলেন বাবুল, প্রথম একাদশে যায়গা না পেলেও আপ্লুত বালিগঞ্জের বিধায়ক।

My Sincere gratitude to Hon'ble Didi @MamataOfficial & @abhishekaitc for appointing/including me in the illustrious Team of National Spokespersons of @AITCofficial • Shall do my very best to live up to the responsibility entrusted upon me
— Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) July 10, 2022
সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে দলের আধিপত্য বিস্তার করতে রাজ্যে রাজ্যে পার্টি অফিস খুলছে তৃণমূল। ত্রিপুরা, গোয়ার মতো রাজ্যগুলিতে নিয়মিত প্রচার-জনসংযোগ সারছে রাজ্যের শাসক দল। লক্ষ্য দিল্লীর মসনদ। তাই সেই যুদ্ধে শক্তি বাড়ানোর জন্যে এবার দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে যুক্ত করা হল তিনজনের নাম। বাবুল সুপ্রিয় ছাড়াও কীর্তি আজাদ এবং মুকুল সাংমাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।







