মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'অরিজিৎ খুব ভালো গান করে। ও গোটা বিশ্বের গর্ব। ও বলেছিল, আমি জঙ্গিপুরে একটি হাসপাতাল করতে চাই। আমি ওকে বলছি, তুমি এগিয়ে চল। যা যা সাহায্য লাগবে আমরা করব। তুমি এগিয়ে এস। ও মা মাটির মানুষের লোক। মাটিতে চলার লোক। ওর কোনও অহংকার নেই।'
মাত্র এগারো টাকার বিনিময়ে গান গেয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা গায়ক অরিজিৎ। মাটিতে পা রেখে আকাশ ছোঁয়ার এই কাহিনী গেঁথে গিয়েছে সঙ্গীতপ্রেমীদের মনে। কিন্তু শ্যামাসঙ্গীত নিয়ে আবার কেন চর্চা? অরিজিৎসিং কি কখনও পান্নালাল বা রামকুমার হতে পারবেন এই সমস্ত বিতর্কিত প্রশ্ন সাংবাদিকদের সামনে রাখলেন প্রবীণ গায়ক তথা রামকুমার পুত্র শ্রীকুমার। কি বললেন তিনি
দেশ নয়, বিদেশেও যিনি খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করেন তার বাহুল্য বর্জিত জীবন কোন সাধকের চেয়ে কম নয়। অনর্গল সুরের সাধনা করেন অরিজিৎ, আর সঙ্গীত দিয়ে ছুঁয়ে যান পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের মানুষকে। তার সারল্য মুগ্ধ করে কবি শ্রীজাতকে।
অরিজিত সিংয়ের অনুষ্ঠান বাতিল! তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে সমালোচনা। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে সুর চড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। তাঁদের বক্তব্য, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রং দে তু মোহে গেরুয়া গানটি গাওয়ার কারণেই ইকো পার্কে সভা বাতিল হয়েছে অরিজিতের। যা নিয়ে বিজেপিকে তুলোধনা করতে ময়দানে নামলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। জানালেন, অরিজিতের অনুষ্ঠান বাতিল নিয়ে ডাহা মিথ্যে বলছে বিজেপি।
অরিজিৎ সিং বিশ্বের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে আছে যার অগণিত ভক্ত। সুরের জাদুতে তিনি জয় করতে পারেন শত্রুর মনও। তাই তিনি অরিজিৎ। দেশে এমনকি বিদেশেও তার কন্ঠের গান শুনতে হাজার হাজার টাকা খরচ করেন অনুরাগীরা। সেই অরিজিৎ বাংলার সন্তান হয়েও, কলকাতায় শো করতে যথেষ্ট বেগ পেতে চলেছেন। এর আগে তিনি বেশ কয়েকবার ইকোপার্কে শো করলেও এবার তাঁর কনসার্ট নিয়ে ধোঁয়াশা। সম্ভাবনা বলছে এবার কলকাতাবাসীকে হতাশ হতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে দু’ কলি গান গেয়ে শোনান অরিজিৎ। যার মধ্যে ছিল শাহরুখের ‘দিলওয়ালে’ সিনেমা থেকে ‘রং দে তু মোহে গেরুয়া’। আর এরপরেই এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে পরে সমাজ মাধ্যমে। গেরুয়া শব্দের গায়ে লাগে রাজনৈতিক রং, এনিয়ে মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য থেকে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।