আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশমতো আসানসোল থেকে কলকাতায় যাওয়ার সময় নিরাপত্তা দিতে হবে পুলিশকেই। কলকাতার হাসপাতালে মেডিক্যাল টেস্ট হওয়া পর্যন্ত অনুব্রতর সমস্ত দায়িত্ব আসানসোল কারা কর্তৃপক্ষের। মেডিক্যাল টেস্টে ফিট সার্টিফিকেট পাওয়া গেলে তারপরই তাঁর দায়িত্ব ইডি’র কাছে হস্তান্তর করা যাবে।
আদালতের তরফে মিলেছে অনুমতি। কিন্তু কেষ্ট কোথায়? কখন কলকাতা আনা হবে কেষ্টকে? আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষকে গতকাল থেকে রবিবার অবধি তিনটি চিঠি দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শেষ অবধি জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অনুব্রতর দায়িত্ব নিতে পারবে না পুলিশ। ইডি চাইলে সেই দায়িত্ব নিতে পারে।
তৃণমূল নেতার ১ লক্ষ টাকার জরিমানার নির্দেশ দিল দিল বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, দিল্লি এবং কলকাতা হাইকোর্টের কাছে তথ্য লুকিয়ে হয়রানি করেছেন অনুব্রত। আদালতের নির্দেশে ফিসচুলার সমস্যা নিয়েই দিল্লি যাবেন কেষ্ট।
অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগে থেকেই আবেদন জানিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকল না। বৃহস্পতিবার এবিষয়ে সবুজ সংকেত দিল আসানসোলের বিশেষ আদালত। আগামীকালই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হতে পারে। এমনটাই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর।
গরু পাচার মামলায় ১১ অগাস্ট থেকে জেলে রয়েছেন বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তারপর থেকে তাঁর আপাতত ঠিকানা আসানসোলের সংশোধনাগার। সোমবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হলে জানা গেল ছয় মাসে ১৯ কেজি ওজন কমেছে কেষ্টর। এর মধ্যে ৩ মাসে ওজন কমেছে নয় কেজি।