Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার গরু পাচার মামলায় জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ হছে বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। তার ২৪ ঘন্টা আগে আসানসোলের সংশোধনাগারে উপস্থিত হলেন সিবিআই আধিকারিকরা। প্রায় ৫০ মিনিট ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। সূত্রের খবর, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট মারফত লেনদেনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যেই এদিন আদালতে উপস্থিত হন সিবিআই আধিকারিকরা। মেয়াদ শেষের আগেই জেলেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের। ঘনাচ্ছে একাধিক প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: বঞ্চনা করছে আর মিথ্যে কথা বলছে, ডিএ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের দিকেই মমতার অভিযোগের তীর

ইতিমধ্যেই গরুপাচার মামলায় একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে সিবিআই। বীরভূমের সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া সমস্ত তথ্য এখন সিবিআইয়ের স্ক্যানারে। সেই অ্যাকাউন্টগুলির সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের যোগ রয়েছে কি না? যারা গ্রাহক তাঁদের অগোচরে কীভাবে এই লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে? সেই সম্পর্কে জানতেই অনুব্রত মণ্ডলকে জিজ্ঞসাবাদ করে সিবিআই।

জেলেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কীসের যোগ? 
জেলেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কীসের যোগ? 

পাশাপাশি এর আগে অনুব্রত মণ্ডলের ছায়াসঙ্গী সায়গল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক তথ্য হাতে পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত তথ্যগুলিকেও সামনে রেখে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। এমনটাও জানা যাচ্ছে।  যা আগামীকাল অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এর আগে সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পায় সিবিআই। এরপরেই সেই ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। অভিযোগ, যাদের নামে অ্যাকাউন্ট তাঁদের মধ্যে অনেকেই এই অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে অবগত নন। মোট ১৭৭টি বেনামি অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে সিউড়ির ব্যাঙ্কটিতে। জানা গিয়েছে, এমন ৫০টি অ্যাকাউন্টের নাকি হদিশ মিলেছে যেখানে একজনেরই সই রয়েছে।

জেলেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কীসের যোগ? 

জেলেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কীসের যোগ? 
জেলেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কীসের যোগ? 

এর আগে সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্কে হানা দেয় সিবিআই অফিসাররা। সেখান থেকে ১৭৭ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ মেলে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে জানা যায়। যেখানে প্রত্যেক গ্রাহকের সই প্রায় এক বলেই জানা যায়। সিবিআই আধিকারিকদের ধারণা, কৃষকদের থেকে অল্প দামে নগদে ধান কিনে তা চালকলগুলিতে চাল করে রাজ্যের খাদ্য দফতরের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। যার সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের দুটি চালকলের যোগ পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন