বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর করা মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মনতব্য করে বসেন রাজ্যের কারা মন্ত্রী অখিল গিরি। তৃণমূলের মন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পরে গেছে। অবিলম্বে অখিল গিরিকে গ্রেফতার করা হোক, মহিলা কমিশনকে চিঠি দিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।
দাঁত ফোকলা হাফ মন্ত্রী। কাকের মতো দেখতে। এসব লোকের কথার উত্তর দিই না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এহেন মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করে বসলেন রামনগরের বিধায়ক এবং রাজ্যের কারা মন্ত্রী অখিল গিরি। রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে তোলপাড়। শেষমেশ চাইলেন ক্ষমা।
অখিল গিরির কালো হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও। কাঁথি থানার পুলিশ দালাল। এমনই স্লোগান উঠল তৃণমূলের অন্দরে। যার জেরে রণক্ষেত্রে পরিস্থিতি কাঁথিতে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পথে নামে কাঁথি থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। মন্ত্রী অখিল গিরির বিরুদ্ধে কাঁথিতে স্লোগান দিতেই বাড়তি অক্সিজেন পাচ্ছে বিজেপি!
প্রাথমিকে বেআইনি নিয়োগ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এমনিতেই জর্জরিত রাজ্যের শাসক দল এবং সরকার। ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের নির্দেশে একাধিক মামলার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই দফতরে একাধিকবার হাজিরা দিতে হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীদের। নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সভাপতি পদ খুইয়েছেন মাণিক ভট্টচার্য।
তৃণমূলের তরফে দাবী করা হচ্ছে, ছেলে শুভেন্দু অধিকারী এবং তাঁর দলের হয়ে ভোট প্রচার করছেন তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারীর প্রার্থীকে সাহায্যের আর্জি জানাচ্ছেন তিনি। যদিও সেই ভিডিও সত্যতা যাচাই করেন নজরবন্দি।
প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে তৃণমূল। এরই মধ্যে রাজ্যের মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে বাড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক উত্তাপ। ফোন করে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কথা বলছেন তৃণমূল সাংসদ।