সবচেয়ে লজ্জার বিষয়, এতবড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও চুপ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন মুখ্যমন্ত্রী কিছু বলছেন না? এবার প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী কখনই তৃণমূল নেত্রীর সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেননি। তৃণমূল শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে।
তৃনমূলের কাছে এখন বিভীষিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্ত্রী আখিল গিরির রাষ্ট্রপতিকে করা মন্তব্য। বর্ণবৈষম্য ঘিরে করা এই মন্তব্য ঘিরে উঠেছে নিন্দার ঝড়। বিরোধীদের চাপের মুখে এবার নতি স্বীকার করতে বাধ্য হলেন রাজ্যের শাসক দলের নেতা আখিল গিরি। এবার ক্ষমা প্রার্থনা করে চিঠি লিখলেন রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে রাজ্যের মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে ক্রমশ বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। মন্ত্রীর পদত্যাগ এবং তাঁকে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। এবার অখিলের মন্তব্যের জেরে বিক্ষোভের মুখে এক মন্ত্রী। এমনকি গাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন তিনি।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য। রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির বিরুদ্ধে দিল্লিতে অভিযোগ দায়ের করতে চলেছেন হুগলীর বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যের পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন, তাই দিল্লির নর্থ অ্যাভিনিউ থানায় অভিযোগ দায়ের করতে চলেছেন লকেট। রাজ্যের পর এবার এবার দিল্লিতেও অখিল মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদান করার পর পূর্ব মেদিনীপুরে প্রভাব বেড়েছে অখিল গিরির। এমনকি শুভেন্দুর গড় কাঁথিতেও বিজেপিকে পরাজিত করতে পেরে তাঁকে যোগ্য সম্মান দিয়েছে দল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে শাসক দলের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রীর মন্তব্য এখন ত্রিনমুলকেই বিড়ম্বনার মুখে ফেলেছে। তাঁর অপসারণের দাবিতে সরব্ হয়েছে বিজেপি।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর করা মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করে বসেন রাজ্যের কারা মন্ত্রী অখিল গিরি। তৃণমূলের মন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পরে গেছে।