নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথায় আছে, শব্দ বাণের সমান। একবার মুখ থেকে বেরিয়ে গেলে আর ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। তৃনমূলের কাছে এখন বিভীষিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্ত্রী আখিল গিরির রাষ্ট্রপতিকে করা মন্তব্য। বর্ণবৈষম্য ঘিরে করা এই মন্তব্য ঘিরে উঠেছে নিন্দার ঝড়। বিরোধীদের চাপের মুখে এবার নতি স্বীকার করতে বাধ্য হলেন রাজ্যের শাসক দলের নেতা আখিল গিরি। এবার ক্ষমা প্রার্থনা করে চিঠি লিখলেন রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ প্রসঙ্গ অখিল গিরির মন্তব্য, মমতার সভার দিনে জঙ্গলমহলে জোড়া সভা শুভেন্দু-সুকান্তর


শনিবার সকালে সুংবাদ মাধ্যমের সামনে ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘ক্রোধের বশেঃ বলে ফেলেছিলাম৷ আমার মন্তব্যের জন্য রাষ্ট্রপতি যদি অসম্মানিত বোধ করে থাকেন তাহলে আমি অনুতপ্ত৷’’ কিন্তু শুধু ক্ষমাতেই দায় সারলে চলবে না। তাই আরও বেশি কাঠ খড় পোড়াতে হচ্ছে তাকে। সরাসরি রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখলেন তিনি। আদিবাসী ভোট বিড়ম্বনা এড়াতেই এখন মরিয়া তৃণমূল শিবির।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার নন্দীগ্রামের দলীয় সভা থেকে, মেরে শুভেন্দুর কোমর ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারির দেন অখিল । সঙ্গে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে বর্ণবৈষম্যমূলক কুৎসিত মন্তব্য করে বসেন, মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ভাইরাল হয়ে যায়৷ যার জেরে নিন্দার ঝড় ওঠে সর্বত্র। ক’মাস বাদে রাজ্যের মাথায় পঞ্চায়েত ভোট৷ আদিবাসী ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে ভয়ানক চিন্তায় পরেছে শাসক দল। স্বয়ং দল নেত্রীর রোষের মুখে পরেছেন আখিল।
আদিবাসী ভোটে চোট, শেষমেষ রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমা চেয়ে চিঠি তৃণমূলের অখিলের



অখিলের মন্তব্য মুহূর্তে সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। বিরোধী নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে দিল্লি এসে ক্ষমা চাইতে বলেন। আর ের জেরেই জল বেশি দূর গড়ানোর আগেই, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি এবার লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতির কাছেও ক্ষমা প্রার্থনার চিঠি পাঠান অখিল৷







