নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাত পোহালেই ১০৮ টি পুর এলাকার নির্বাচন। তার আগে শনিবার একটি ভাইরাল অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। তৃণমূলের তরফে দাবী করা হচ্ছে, ছেলে শুভেন্দু অধিকারী এবং তাঁর দলের হয়ে ভোট প্রচার করছেন তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারীর প্রার্থীকে সাহায্যের আর্জি জানাচ্ছেন তিনি। যদিও সেই ভিডিও সত্যতা যাচাই করেন নজরবন্দি।
আরও পড়ুনঃ আগামী ১৯ মার্চের মধ্যে রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্ত করতে হবে, জানালো সরকার


ভাইরাল অডিওতে শোনা যাচ্ছে, একজন যুবক নিজের গলায় বলছে,”আপনি কে বলছেন স্যার?” অপর দিক থেকে জবাব আসে, “আমি শিশির অধিকারী বলছি বাবা। আপনি কে আপনি?” উত্তর, “আমি ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিত্যানন্দ বলছি”। বয়স্ক ব্যক্তি বলেন, “আমি ফোন করছিলাম ছেলে বলেছিল আপনাকে ফোন করে একবার বলতে, একটু দেখে দিও বাবা”। পাল্টা যুবক, “কাকে দেখব স্যার?” বয়স্ক ভদ্রলোক বলেন,”শুভেন্দুর প্রার্থীকে”।
এরপরেই বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা হয়, “শুভেন্দুর প্রার্থী মানে কে স্যার বলুন?” পাল্টা উত্তর, “সে আপনাকে দেখে নিতে হবে। আমি বলতে পারব না”। সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন, “শুভেন্দু তো বিজেপি করেন। আপনিও তা হলে বিজেপি-কে দিতে বলছেন?” বয়স্ক লোকটি বলেন, “ভদ্র লোককে দেবেন, চোর ডাকাতকে দেবেন না। তৃণমূল পার্টিতে কারা আছেন আমার চেয়ে ভালো আপনারা জানেন। আপনি একজন বুদ্ধিমান লোক। আপনি জানেন না? চোর ডাকাত চেনেন না?”



সঙ্গে সঙ্গে উত্তর আসে, “তাহলে স্যার আপনার উচিত ছিল সাংসদ পদ ছেড়ে দিয়ে মাঠে নেমে পড়তেন, তৃণমূল তাহলে আর মাঠে থাকত না”। পাল্টা উত্তর, “আপনি দাঁড়াবেন? আমি দিয়ে দেবো ছেড়ে”। পাল্টা প্রশ্ন,”ছেড়ে চিলে ভালো হত, লড়াই করাটা সুবিধা হত”। বয়স্ক ব্যক্তির বক্তব্য, “আপনি তো পাকা জিনিস। অত বক্তৃতার কী আছে! না পারলে আপনার বাড়িতে কে যাবে? ভোটাধিকার নিজস্ব অধিকার”। এরই মধ্যে জয় বাংলা স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল সমর্থক। “বুড়ো বয়সে ভীমরতি”।
শুভেন্দু অধিকারীর প্রার্থীকে সাহায্যের আর্জি, তৃণমূলকে ফোন শিশিরের

কাঁথির ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী রাজ্যের মন্ত্রী সুপ্রকাশ গিরি। বিজেপির প্রার্থী নির্মাল্য দাস। গত কয়েকদিন ধরেই গড় ধরে রাখতে জোর কদমে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা। কিছুদিন আগেই প্রচারে এসে শিশির বাবুর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। তাঁর এই অভিযোগ একেবারে অমূলক নয় তা প্রমাণিত হল ভোটের মুখেই। যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে।







