যাতে করে সাধারন মানুষ নিজেরা বুঝতে পারে কাকে ভোটে জিতিয়ে এরা সরকারে এনেছে। মানুষ এবারে তৃণমূল কংগ্রেস নামক দলটিকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেবে এবারের লোকসভা ভোটে । এখন শুধুমাত্র সময় এর অপেক্ষা। এদিন বিমানবন্দরে নেমে অভিজিৎ গাঙ্গুলি সোজা কাওয়াখালির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।
ওই একটা পার্টির শৃঙ্খলার নামে চাপিয়ে দেওয়া, এটা করা যাবে, ওটা করা যাবে না, সেটা কোনও ক্রিয়েটিভ লোক মেনে নিতে পারেন না”। আর কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শগত কিছু ফারাক রয়েছে। তাই শাসকদলের বিরুদ্ধে লড়ার ক্ষেত্রে তিনি বিজেপিকেই বেছে নিয়েছেন।
প্রথমে যে খবর চাউর হয়, তমলুক থেকে বিজেপির প্রার্থী হবেন অভিজিৎ। কিন্তু, যার চ্যালেঞ্জে তিনি আজ রাজনীতিতে নামলেন, অর্থাৎ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোই কি তাঁর মূল উদ্দেশ্য?
বিভিন্ন দলের মুখপাত্র তাকে নিয়ে বিভিন্ন ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করেছেন, অনেক কটাক্ষ, অনেক অপমান করা হয়েছে। আমরা মৌর্য সাম্রাজ্য দেখেছি এখন চৌর্য সাম্রাজ্য দেখছি।এর আগেও তার মুখে শোনা গিয়েছিল যে তিনি বিচারপতিকে মুখ্যমন্ত্রী পদে দেখতে চান।
একথা শুনে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে সিবিআই থানা তৈরির সময় এসেছে। রাজ্যে অন্তত ৩ – ৪টি সিবিআই থানা তৈরির প্রয়োজন। মানুষ- থানা,আদালত ঘুরে ঘুরে হয়রান হচ্ছে। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ জমা নিচ্ছে না।