৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক প্রশ্ন করলেন বিচারপতি: “দুর্নীতি দেখেও কি বিচারপতি চুপ থাকবেন?” পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার, নজরে রাজ্যের ভূমিকা।
শনিবার সাতসকালেই হলদিয়ায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন অভিজিৎ। সকাল ৭টা নাগাদ হলদিয়ার একটি বুথের বাইরে অভিজিৎকে দেখে চোর চোর স্লোগান ওঠে। পরে বেলা ১১টা নাগাদ হলদিয়ার অন্য একটি বুথের সামনে এসে হাজির হয় অভিজিতের গাড়ি। সেখানেও অভিজিৎ বাবুকে দেখা মাত্র বিক্ষোভ শুরু হয়।
`বিজেপি জিতলেই রাজ্যে শিল্পায়ন সহ কর্মসংস্থানের জোয়ার আসবে। মিছিলে অভিজিৎবাবুকে লক্ষ্য করে রাস্তার দুপাশের বাড়ি থেকে ফুল ছুঁড়তে দেখা যায় স্থানীয়দের। অভিজিৎবাবু বলেন, মানুষের সাড়া দেখে আমি আপ্লুত। এত মানুষের সমর্থন পাবো কখনও ভাবিনি।
তিনি একজন চুরির রানি হিসাবে পরিচিত হয়ে গেছেন। তাকে এখন মুখ্যমন্ত্রী বদল করতেই হবে। আর সেই জায়গায় তিনি একজন চুরির রাজাকে বসিয়ে যাবেন, যিনি তাঁর নিকটাত্মীয়। এভাবে তিনি হিমালয়ে চলে যাবেন, আর বাকি চুরিটা সেই আত্মীয় করবে’।
এদিন ময়নায় দলীয় সভা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘এই বছরই ভেঙে যাবে। যদি তা না মেলে দেড় বছর পর ২০২৬ সাল তো আছেই। এদের গুড়িয়ে দিতে হবে। এই দুর্বৃত্তদের আর একদিনও ক্ষমতায় রাখা যাবে না। এরা পশ্চিমবঙ্গকে শেষ করেছে।
‘গান্ধী একজন নিহত মানুষ আর গডসে একজন হত্যাকারী। তবে একজন আইনজীবী হিসেবে আমাকে ভাবতে হবে গান্ধীকে হত্যা করার পিছনে গডসের কী যুক্তি ছিল। তা জানা প্রয়োজন রয়েছে।’ এরপরে তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি গান্ধীকে হত্যার পিছনে গডসের নাকি ৭৫ থেকে ৮০ টি যুক্তি ছিল”।
না হলে পশ্চিমবঙ্গে বাঙালিরা কিছুতেই বাঁচবে না। যেভাবে প্রতিটা ক্ষেত্রে জীবন যাপন ধ্বংস করা হয়েছে। নিজেরা টাকা কামাচ্ছে ৫০০ বা হাজার টাকা দিচ্ছে আর কোটি কোটি টাকা চুরি করছে। এটার শেষ করতে হবে।”