এই সমস্ত বরখাস্ত কর্মীদের থেকে কি তথ্য পেতে চায় সিবিআই? সূত্রের খবর, চাকরি পেতে তাঁরা কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন? অথবা তাঁদের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেছিলেন কি না, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে এই ১০ জনকে।
প্রথমে তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং পরে তাঁদের চাকরি বাতিল করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে শেষ করতে হবে। আদালতের নির্দেশ মেনে ২৪ ঘণ্টায় তা করল কমিশন। চাকরি গেল ১,৯১১ জন গ্রুপ ডি কর্মীর।
বঙ্গ রাজনীতিতে দিলীপ ঘোষ মানেই বড় কোন বিতর্ক অথবা চমক। তাঁর মন্তব্য যে রাজ্য রাজনীতিতে আলাদা প্রভাব ফেলে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার তাঁর মুখে শোনা গেল,” নেংটি নয়, এবার ধরা পড়বে ধেড়ে ইঁদুর”। তারিখ মিলিয়ে দেখলে শুভেন্দুর ডিসেম্বর বার্তা আর দিলীপ ঘোষের মুখে এই ইঙ্গিত কী শুধুই কাকতালীয় ?
মঙ্গলবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিলেন ৪০ টি ও এম আর শিটের নাম, নম্বর সহ সমস্ত তথ্য আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে জমা করতে হবে। হাইকোর্ট এই নির্দেশ ইতিমধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশন কে পাঠিয়েছে।
সৌমিত্র দুর্নীতিতে সায় না দেওয়ায় তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে অভিযোগ, সরকারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন সৌমিত্র সরকার। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং সৌমিত্র সরকারকে চাপ দেওয়া হয়েছিল পদত্যাগ করার জন্য। তাই ১৯৯৭ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনের ৪ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করে, তিনি সৌমিত্র সরকারের জায়গায় অশোককুমার সাহাকে বসানো হয়েছিল।
এসএসসির তরফে আদালতকে জানানো হয় পুজোর আগে এত দ্রুত এই ৯২৩ জনকে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। সময় খুবই কম। তার পরই বিচারপতি জানিয়ে দেন, পুজোর আগে চাকরি দেওয়া সম্ভব না হলেও এসএসসিকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিতে হবে।