রাজ্যে দুর্নীতি মামলার তদন্ত করছে দুই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। শাসক দলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী জেল হেফাজতে রয়েছেন। কিন্তু এনিয়ে ইডি-সিবিআইকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কেন তদন্ত হচ্ছে না তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। তাই সব দিক ভেবেই এবার সারদা-নারদা মামলায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে দিল্লির কাছে অনুমতি চাইল সিবিআই-এর পূর্বাঞ্চলীয় কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই বিস্তারিত তথ্য রিপোর্ট পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
ইডির তলবে তিনি গত মাসের শেষে হাজিরা দিলেও নেত্রীর উত্তরে সন্তুষ্ট হয়নি আধিকারিকরা। টানা কয়েক ঘন্টা জেরার পরেও তাকে ফের ৫ জুলাই সিজিও কমপ্লক্সে তলব করা হয়েছিল সায়নীকে। কিন্তু তিনি আদৌ হাজিরা দেবেন কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গোপাল দলপতিকে জেরা করে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের নাম উঠে এসেছিল। এরপরই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি তাঁকে একাধিকবার তলব করে। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান করা হয়। অবশেষে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় কালীঘাটের কাকুকে।
সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের ৬ টি সংস্থা রয়েছে। এই সংস্থাগুলি শুরু থেকেই তাঁদের নজরে ছিল। মূলত টাকার লেনদেন এবং হিসেব খতিয়ে দেখছিল ইডি আধিকারিকরা। সেই সূত্র ধরেই দুজন হিসেবরক্ষককে তলব করা হল। কালীঘাটের কাকুর একাধিক সংস্থায় টাকার উৎস, লেনদেনের খতিয়ান সহ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় গোয়েন্দা সংস্থা।
কয়েক মাস আগেই রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যে অশান্তি দেখা গিয়েছিল। এই ঘটনার তদন্তভার যায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র হাতে। রাজ্য পুলিশ সহযোগিতা করছে না, এই অভিযোগ নিয়েই সম্প্রতি এনআইএ অফিসাররা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। অন্যদিকে, বাংলায় নিয়োগ দুর্নীতি, গরু পাচার, কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করছে ইডি ও সিবিআই।