সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ওএমআর শিট প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেখানেও শিক্ষক নিয়োগে নম্বর কারচুপির বিষয় প্রকাশ্যে এল। আর এই তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। ফের দুর্নীতি করে চাকরির অভিযোগ। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই আগেই দাবি করেছিল ৯০৭ জনের ওএমআর শিট কারচুপি হয়েছে। প্রাপ্ত নম্বর এবং ওএমআর শিটের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে হতে পারে বাইপাস সার্জারি। সম্প্রতি খবর এসেছে চলতি সপ্তাহেই তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেবে ইডি। শারীরিক দিক থেকে কোন সমস্যায় ভুগছেন কালীঘাটের কাকু?
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ধৃতের কাছ থেকে ১১ কোটি টাকার বেশি হদিশ পাওয়া গিয়েছে, এই পুরো টাকাটাই নিয়োগ দুর্নীতি বলেই দাবি তদন্তকারীদের। চার্জশিটে এই বিষয়টি উল্লেখ করা হবে।
দীর্ঘ সময়ে পেরিয়ে যাওয়ার পরও নির্দেশ কার্যকর হয়নি, এই অভিযোগে রাজ্যের শিক্ষা দফতরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমান করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী দশদিনের মধ্যেই এই জরিমানা দিতে হবে। মঙ্গলবার একটি মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চ।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসে তাঁর গুরুত্ব এবং দায়িত্ব কতটা ছিল একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু বিগত এক বছরে পরিস্থিতির বিশাল বদল ঘটেছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে মন্ত্রীত্ব ও দলের পদ হারিয়েছেন তিনি।
চাকরি ফেরত পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ববিতা সরকার। তাঁর আর্জিতে সায় দিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ২০১৬ সালের একাদশ-দ্বাদশের মেধাতালিকা নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর এসএসসি সুপ্রিম কোর্টে গেলে আবেদন খারিজ হয়ে যায়। অবশেষে উচ্চ আদালতের নির্দেশ মতই কাজ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। মোট ৫৭৫৭ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।