নজরবন্দি ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ওএমআর শিট প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেখানেও শিক্ষক নিয়োগে নম্বর কারচুপির বিষয় প্রকাশ্যে এল। আর এই তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। ফের দুর্নীতি করে চাকরির অভিযোগ। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই আগেই দাবি করেছিল ৯০৭ জনের ওএমআর শিট কারচুপি হয়েছে। প্রাপ্ত নম্বর এবং ওএমআর শিটের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে।
আরও পড়ুন: মহরমে কতক্ষণ বাজবে ড্রাম, কী বলল আদালত? পুলিশকে বিজ্ঞপ্তি জারির নির্দেশ
উত্তর দিনাজপুরের জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি কবিতা বর্মণ। তিনি বালিজুল হাইস্কুলের বাংলার শিক্ষিকা। এসএসসির প্রকাশিত তালিকার ৩০০ নম্বরে নাম রয়েছে তাঁর। এরপরই অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে, তৃণমূলের এই নেত্রী দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছেন। যদিও কবিতা বর্মণ জানিয়েছেন, সব নিয়ম মেনেই স্বচ্ছভাবে পরীক্ষায় পাশ করেছেন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বালিজুল হাইস্কুলে নিয়োগ হয় তাঁর। তিনি বলেন, “২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর ভাইবা হয়। নিয়মনীতি মেনেই চাকরি পেয়েছিলাম। কেন ৯০৭ জনের তালিকায় নাম রয়েছে বলতে পারব না। সাদা খাতা জমা দেওয়া বা টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।”

কবিতার স্বামী তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য। তালিকায় স্ত্রীয়ের নাম থাকার প্রসঙ্গে বলেন, “যোগ্যতা ছিল, তাই জেলা সভাধিপতি হয়েছেন। ভাল পরীক্ষা দিয়েছিল, তাই চাকরি হয়েছে। প্রভাব খাটানোর কোনও ব্যাপার নেই।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নিজেদের ওয়েবসাইটে নম্বর কারচুপির তালিকা প্রকাশ করে SSC। সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রত্যেকের নম্বর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, যে নম্বর ওএমআর শিটে রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি নম্বর সার্ভারে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কারও কারও নম্বর ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত বেড়েছে বলে সূত্রের খবর। এর আগে নবম দশমের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আর এবার খোদ এসএসসি (SSC) নিজেদের দুর্নীতির কথা স্বীকার করে নিল।



