নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৪২ দিন ধরে হাজতবাসের পর সোমবার বিধানসভায় এলেন আইএসএফের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। এদিন বিধানসভা থেকে কিছু দূরে ধর্মতলার শহিদ মিনারের কাছে আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কলকাতার পাশাপাশি জেলাতেও ছড়িয়ে দিতে হবে আন্দোলন। এই আবেদন রাখলেন আইএসএফ বিধায়ক।


প্রসঙ্গত, গত এক মাসের বেশী সময়ে ধরে ন্যায্য ডিএ এবং শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে সরব হয়েছেন সরকারি কর্মচারিদের ৪২ টি সংগঠন। আগামী ১০ মার্চ সারা বাংলাজুড়ে ধর্মঘট ডাকা হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে। এরই মধ্যে একটানা অনশনের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকেই।

সোমবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করলেন আইএসএফ বিধায়ক। তাঁর কথায়, এরা শিক্ষিত এবং প্রতিষ্ঠিত। ওঁদের পরামর্শ দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তবে বলব, নিজেদের দাবি বুঝে নিতে হবে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ভাবে এবং গণতান্ত্রিক ভাবে আন্দোলন করুন। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, কলকাতার পাশাপাশি বাংলার গ্রামাঞ্চলে এই আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে। বৃহত্তর আন্দোলন করতে হবে। তবে সেটা কোন উপায়ে হবে, সেটা আমার থেকে ভাল মাস্টারমশাইরা জানেন। আন্দোলনরত সরকারী কর্মচারীরা ভালই জানবেন।
রবিবার আন্দোলনকারীদের মঞ্চে উপস্থিত হন সিপিআই(এমএল) এর সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। গতকালের সমাবেশ থেকে রাজ্যের সরকারকে তুলোধনা করেন বিরোধী শিবিরের নেতারা। নেতারা এত খেয়েছে আর জেলের ভিতরেও হাঁটতে পারছে না। গতকালের সভা থেকে এমনটাই মন্তব্য করতে শোনা যায় কংগ্রেস নেতা ও আইনজীবী কৌস্তভ বাগচিকে।


কলকাতার পাশাপাশি জেলাতেও ছড়িয়ে দিতে হবে, আন্দোলনের পাশে থেকে বার্তা নওশাদের

সোমবার ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে উপস্থিত হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের পর আপনারা ডিভিশন বেঞ্চেও জয়লাভ করেছেন। আপনাদের ডিএ দিতে হবে। কোনও শর্ত ছাড়া আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি। অন্যদিকে,। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিএ প্রসঙ্গে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো আলাদা রাজ্যের থেকে। আর কেন্দ্রের সরকার কত দিন ছুটি দেয়? আমরা দুর্গাপুজোয় দশ দিন ছুটি দিই। ছট পুজোয় ছুটি দিই। তুলে ধরেন বাম আমলে ডিএ পরিকাঠামোর প্রসঙ্গ।







