দ্বিতীয় দফার ভোটে ভাঙড়ে ফের উত্তেজনার ছবি—বুথের সামনে বিক্ষোভ, স্লোগান আর অভিযোগের পাল্টাপাল্টিতে চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। পরিস্থিতির মাঝেই কড়া বার্তা দিলেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী—“ভোট চুরি রুখব,” হুঁশিয়ারি তাঁর।
ভাঙড়ের শাইহাটি এলাকায় ২৫৮ ও ২৫৯ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, একাংশ ভোটারকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল এবং এলাকায় ভয়ভীতি তৈরি করা হয়েছিল। এই খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন নওশাদ। ক্ষুব্ধ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে বিরোধী সমর্থকদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন আইএসএফ প্রার্থী। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছেন না কেন—এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। তিনি নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ দাবি করেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। শাসকদলের দাবি, বিরোধীরা ভোটে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।
ঘটনার জেরে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও দ্রুত সক্রিয় হয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের সামনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে এবং ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন তৎপর বলে জানানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ভাঙড়ে ভোট ঘিরে অভিযোগ-প্রতিআভিযোগে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হলেও আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে পরিস্থিতি। তবে দিনের বাকি সময়ে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর।



