দ্বিতীয় দফার ভোটে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোটদানের হার পৌঁছল ৬১.১১ শতাংশে। তবে এই পরিসংখ্যানেও প্রথম দফার থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় দফা—কারণ প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৬২.১৮ শতাংশ। তবু সামগ্রিকভাবে ভোটের গতি যথেষ্ট জোরালো বলেই মনে করছে নির্বাচন মহল।
জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে আবারও এগিয়ে পূর্ব বর্ধমান—এখানে ভোট পড়েছে ৬৬.৮০ শতাংশ, যা দ্বিতীয় দফার মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে—৫৭.৭৩ শতাংশ।


বিধানসভা কেন্দ্রের নিরিখে নজর কেড়েছে গলসি, যেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার সর্বাধিক—৭০.৪৮ শতাংশ। বিপরীতে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়, সেখানে হার ৫২.০৫ শতাংশ।
এছাড়া ভাঙড়-এ ভোট পড়েছে ৫৪.১৩ শতাংশ এবং ভবানীপুর-এ ৫৮.৫৩ শতাংশ।
তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবারের বিধানসভা ভোটে দুপুর পর্যন্ত ভোটদানের হার আগের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে একই সময়ে ভোটের হার ছিল ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে।


সব মিলিয়ে, কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় দফার ভোটে অংশগ্রহণের হার এখনও উল্লেখযোগ্য। এখন নজর শেষ বেলার ভোটের দিকে—সেখানেই চূড়ান্ত চিত্র স্পষ্ট হবে।







