প্রবেশ করবে আর সেটা তিনি করে দেখাবেন। কিন্তু সেটা কবে? তা এক মাত্র বলতে পারবে সময়। আর তাই রাজ্যের কয়েক লক্ষ্য সরকারী কর্মচারী সেই সময়ের দিকেই তাকিয়ে চাতকের মতো বসে রয়েছে রাজ পথে।
কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা-র দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা যত টাকা মহার্ঘ্য ভাতা হিসেবে পায়। রাজ্য সরকারী কর্মীদেরও সেই হারে মহার্ঘ্য ভাতা দিতে হবে।
লোকসভা ভোটের প্রচারে এক মাসের অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার থেকেই সেই ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু করে দিয়েছে নবান্ন। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ফলে সরকারের ২,৪০০ কোটি টাকা খরচ হবে। এতে উপকৃত হবেন রাজ্যের ১৪ লক্ষ সরকারি কর্মী।
বড়দিনের আবহে সরকারি কর্মচারিদের ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২১ ডিসেম্বর পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা।
গত বছর ডিসেম্বর মাসে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ৪ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর জানুয়ারি মাসে সে বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করে নবান্ন। লোকসভা ভোটের প্রচারে আবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, মে মাস থেকে বর্ধিত হারে ডিএ পাবেন সরকারি কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার অধিবেশনে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। একাধিক ঘোষণা হয়। তারমধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ডিএ। জানানো হয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বাড়ানো হল আরও ৪ শতাংশ।