দেশের দশ সেরা স্কুলের তালিকায় জায়গা করে নিল যাদবপুর বিদ্যাপীঠ (Jadavpur Vidyapith)। রাজ্যের এই একটিমাত্র স্কুলই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত এই তালিকায় সেরা স্কুলের প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছে।
বার থেকে আর কোনো ফি ছাড়াই সেট পরীক্ষা দেওয়া যাবে। কলেজ সার্ভিস কমিশনের (College Service Commission) জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তিতে তেমনই উল্লেখ করা হয়েছে।
ছাত্রীকে অন্তবাস খুলে পরীক্ষায় বসতে হয়েছে। এমনই অভিযোগ উঠেছে কেরলায় নিট মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষায়। সেই ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। সেই ঘটনায় নতুন করে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাচ্ছেন সেই ছাত্রীরা। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর অভিযোগকারী পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
উচ্চ শিক্ষা নিয়ন্ত্রক, ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন বা ইউজিসির (UGC) দেওয়া সাম্প্রতিক খবরে আপনিও শিউরে উঠবেন। ইউজিসির তরফে জানানো হয়েছে দেশের ২১ টি বিশ্ববিদ্যালয় ভুয়ো! সেই তালিকায় রয়েছে এই রাজ্যেরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয়।
দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তকমা পেল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ভারতীয় বেসরকারি সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে'র সমীক্ষায় গোটা দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করল ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালকাটা।পড়ুয়াদের পিএইচডি ডিগ্রি করানোর ক্ষেত্রে সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। পেটেন্ট দেওয়ার ক্ষেত্রেও সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে গেলে ইংরেজি ভাষায় পড়তে হবে। এরফলে যেসমস্ত পড়ুয়া ছোট থেকে বাংলা মিডিয়ামে পড়াশোনা করেছে বা গ্রামে পড়াশোনা করেছে তাদের বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাই তারা বাধ্য হয়ে প্রথম সেমিস্টারে ভালো ফল করলেও পরবর্তী সেমিস্টারে তারা ছেড়ে চলে যাচ্ছে অন্য কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়। এমনই ভাষা বিভ্রান্ত দেখা যাচ্ছে রাজ্যের এবং দেশের প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়।
এছাড়া সরকারি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের জন্য ২,৩২৫টি শূন্যপদ রয়েছে। সব মিলিয়ে শূন্যপদের সংখ্যা ২১ হাজার ৬৯৪টি। এছাড়া রাজ্যের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকে শূন্যপদ তিন হাজার ৯৩৬ টি।
এই অভিযোগের পরেই আদিবাসী উন্নয়ন দফতর বিষয়টির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর অভিযোগ, ওই শিক্ষক তাঁকে এবং অন্য মেয়েদের বলেন যে পিরিয়ডের সময় মেয়েরা গাছ লাগালে গাছ বাড়বে না এবং পুড়ে যাবে।
তিনিই ভুয়ো পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে পাঠাতেন। বদলে আসল পরীক্ষার্থীদের থেকে টাকা নিতেন। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রে রমরমিয়ে চলছিল এই চক্র।