নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্বকাপের আগে ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট বলসেনারোর সমর্থনে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। বলেছিলেন প্রেসিডেন্টের যা ইচ্ছাশক্তি তা আমার মূল্যবোধের সঙ্গে মিলে যায়। তাঁর এই মন্তব্য দেশের জনগণের কাছে খলনায়ক করে তুলেছিল নেইমারকে। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায়ের পর সেই জনরোষ আগামী দিনে বাড়বে?
আরও পড়ুনঃ হারের পর কোচকে কটাক্ষ জর্জিনার, রোনাল্ডোকে প্রথম একাদশে না রাখা নিয়ে মুখ খুললেন স্যান্টোস



২০ বছর আগে শেষবার বিশ্বকাপে চুম্বন দিয়েছিল ব্রাজিলের আপামর জনগণ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সমূহ সম্ভাবনা থাকলেও না জলাঞ্জলি দিয়ে হয়েছে। ব্রাজিলের বিদায়ের পর সেই দেশের মানুষ তাঁদের সমর্থন করবে? বিশেষ করে নেইমারের মন্তব্যের পর তাঁকে সমর্থনের জন্য এগিয় আসবে ব্রাজিলের আম জনতা?

এই মুহুর্তে ব্রাজিল দলে অন্যতম জনপ্রিয় খেলোয়াড় নেইমার। তাঁর খেলাধুলা, আদব কায়দা থেকে শুরু করে জীবনযাপন সবটাই নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের। কিন্তু তাঁর দক্ষিণপন্থী মনোভাবের কারণে অনেকের কাছেই প্রিয় নন। ডানপন্থী প্রেসিডেন্টের হয়ে মুখ খুলেছিলেন, সেকারণেই নিজের এশে জনপ্রিয়তা কমতে পারে নেইমারের! যদিও এই ঘটনা নতুন কিছু নয়, বিগত দিনেও রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত না থেকে রাজনীতিকদের সঙ্গে মন্তব্য করার কারণে রোষানলে পড়তে হয়েছে বহু ফুটবলারদের। এখন সেই মনোভাব নতুন করে দেখা দিয়েছে।


ডানপন্থী প্রেসিডেন্টের হয়ে মুখ খুলেছিলেন, এখন নেইমারকে নিয়ে বিতর্ক বাড়বে?

তবে ডানপন্থীরা যে ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত তা বারবার প্রমাণ দিয়েছেন তাঁরা প্রতিবাদের রূপেই। প্রতিবারেই তাঁরা ধারণ করেছেন হলুদ জার্সি। তবে সমস্ত ফুটবলাররাই একই চিন্তাধারার নয়। আবার দলের রাজনীতিকরণ নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গেছে রিচার্লিসনদের। ব্রাজিলে বামপন্থীদের ফের ক্ষমতায় আসার পর এখন ব্রাজিলের রাজনৈতিক ছবি বদলে গেছে অনেকটাই। আবার নতুন করে বিতর্ক তৈরি হবে নেইমারদের নিয়ে? তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।







