২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে বিরাট কোহলিকে? ভারতীয় ক্রিকেটে এখন এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার পর শুধুমাত্র ওয়ানডে ক্রিকেটেই খেলছেন ‘কিং’। বয়স তখন ৩৯ ছুঁইছুঁই হবে, তবুও তাঁর ফিটনেস এবং ফর্ম নিয়ে এখনও মুগ্ধ ক্রিকেটবিশ্ব। তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনার মাঝেই স্পষ্ট বার্তা দিলেন কোহলি— নিজেকে আর কাউকে প্রমাণ করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেন না।
আইপিএলে নিজের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন বিরাট। সাম্প্রতিক সময়ে কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং সিনিয়র ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই আবহেই কোহলির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে ক্রিকেটমহলে।
৫৪টি ওয়ানডে সেঞ্চুরির মালিক কোহলি বলেন, “আমার পরিকল্পনা পরিষ্কার। আমি যদি দলের জন্য অবদান রাখতে পারি, তাহলে আমাকে খেলতে দেখবেন। কিন্তু নিজের মূল্য বা যোগ্যতা প্রমাণ করার জায়গায় আমি আর নেই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নিজের প্রস্তুতি নিয়ে সবসময় সৎ। নিয়মিত পরিশ্রম করি। ক্রিকেট আমাকে যা দিয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আজও মাঠে নামলে পুরো মন দিয়ে খেলি।”
বিশ্বকাপের সময় কোহলির বয়স ৩৯ হলেও, নিজের ফিটনেস এবং মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তাঁর কথায়, “আমি এখনও ৪০ ওভার ধরে বাউন্ডারি মারার ক্ষমতা রাখি। ৫০ ওভারের প্রতিটা বলকে শেষ বল ভেবেই খেলি। দলের জন্য সেভাবেই লড়াই করি।”
একইসঙ্গে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, হঠাৎ করে বড় টুর্নামেন্টের আগে প্রস্তুতি নেওয়ার মানুষ তিনি নন। কোহলির বক্তব্য, “আমি সারা বছর প্রস্তুতির মধ্যেই থাকি। এটাই আমার জীবন, এটাই আমার কাজ।”
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মন্তব্যে কার্যত বোঝা যাচ্ছে, শরীর ও ফর্ম সঙ্গ দিলে ২০২৭ বিশ্বকাপেও খেলতে আগ্রহী কোহলি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে তাঁর ফিটনেস, নির্বাচকদের ভাবনা এবং টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনার উপর।
তবে একটা বিষয় স্পষ্ট— বিরাট কোহলি এখনও নিজেকে ভারতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবেই দেখছেন।




